মাদারীপুর-টাঙ্গাইলে ২ জনকে ধর্ষণ
 “স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice OfBangladesh)

একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম                                      শুক্রবার, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ | ১৮ মাঘ, ১৪১৯

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

মাদারীপুরের শিবচরে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে নৌকায় ঘোরানোর কথা বলে গণধর্ষণ করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুই ধর্ষককে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেছে এলাকাবাসী। এদিকে, টাঙ্গাইলে ৫ বছরের শিশু কন্যাকে তারই ফুপাত ভাই ধর্ষণ করেছে। শিশুটি বর্তমানে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের তত্ত্বাবধানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

 

আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছন, ঢাকার মগবাজারে বোনের বাসায় দুই সপ্তাহ আগে ১৩ বছরের কিশোরী বেড়াতে আসে। মঙ্গলবার বোনের প্রতিবেশী হযরত বেপারির সঙ্গে মাদারীপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় মেয়েটি।

 

রাত বেশি হয়ে যাওয়ায় হযরত বেপারি মেয়েটিকে তার শ্বশুর বাড়ি নিয়ে যায়। পরদিন বিকেলে নৌকায় ঘোরানোর কথা বলে হযরত বেপারি ও তার শ্যালক মেয়েটিকে কাশবনে নিয়ে গিয়ে স্থানীয় আরেক বখাটে ইউসুফের সহযোগিতায় ধর্ষণ করে। এ সময় তার চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে।

 

পুলিশের কাছে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে ধর্ষক হযরত বেপারি ও তার শ্যালক।

 

এদিকে, টাঙ্গাইলের বাগুয়াটা গ্রামে ৫ বছরের শিশুকে তারই ফুপাত ভাই ধর্ষণ করেন। শিশুটির মা ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক এবং বাবা বাংলাদেশি। মঙ্গলবার বিকেলে শিশুটিকে গাছ থেকে কুল পেরে দেয়ার কথা বলে বাড়ির পাশের একটি ধান খেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। চিৎকার শুনে শিশুটির মা ছুটে গিয়ে সঙ্গাহীন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

শিশুটির পারিবারকে আইনি সহায়তার আশ্বাস দিয়ে মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা ও টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান বলেন, ‘আমি কথা বলেছি যেন আসামি গ্রেপ্তার করা হয়। পরিবার যেন কোনো সমস্যায় না পড়ে মামলা করা ও ন্যায় বিচার পাওয়ার ব্যাপারে।’


সিরাজগঞ্জে কথিত ভন্ড জ্বীনপীর বেলাল ক্যাডার বাহিনী নিয়ে আবারো সক্রিয়

স্বদেশবার্তা 24ডটকম
(The Voice Of Bangladesh)

 প্রকাশসোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দ

খন্দকার মোহাম্মাদ আলী,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি -

বেলকুচি উপজেলার তামাই কুঠি পাড়ায় কথিত ভন্ডপীর বেলাল কৌশল পরিবর্তন করে নিজস্ব অর্থ ব্যায়ে এলাকার যুবকদের ধর্মের অবব্যাখ্যা দিয়ে রংপুর, গাইবান্ধা নিয়ে জঙ্গি প্রশিক্ষন দিচ্ছে।

 

এলাকা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার তামাই কুঠিপাড়ায় দীর্ঘ দিন থেকে অবস্থান নিয়েছে কথিত ভন্ড জ্বীনপীর বেলাল। দীর্ঘ দিন থেকে এলাকায় বিভিন্ন ভাবে জ্বীন দ্বারা কবিরাজী করে প্রতারণা করে আসছে। তাহার নানাবিধ অনৈতিক কাজের কথা বহুবার ফলাও করে স্থানীয় এবং জাতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। যার দরুন বেলালের ক্যাডার বাহিনী সংবাদ প্রকাশের জন্য স্থানীয় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, মিথ্যা মামলা, হামলা করার হুমকি অব্যাহত রেখেছে।

 

এ বিষয়ে ভন্ড জ্বীর পীর বেলালের অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা হতে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসককে স্বারক লিপী দেওয়া হয় এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য। কিন্তু দুঃখ্য জনক হলেও সত্য উক্ত বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহনের কথা থাকলেও দীর্ঘ এক বছর পেরিয়ে গেলেও অদ্যাবধি পর্যন্ত তাহার কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করা হয় নি।

ভন্ড জ্বীনপীর বেলাল ও তার ক্যাডার বাহিনীর নাম সংবাদ পত্রে প্রকাশের দরুন তার নেশা খোর কোটি পতি ভক্তরা তরি ঘরি করে প্রশাসনকে ম্যানেজ করতে তৎপর হয়। এলাকাবাসী প্রতিবাদ করে ভন্ডপীর বেলালের মাদকদ্রব্য বিক্রয়, দেহ ব্যবসা ও জাল টাকার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের সংঘবদ্ধ হওয়ার বিষয়ে। এক পর্যায়ে প্রশাসনের তৎপরতায় মুখোশ খুলে যায় ছদ্ব্য বেশী ভন্ড বেলালের অতঃপর গাঁ ঢাকাদেয় কিছুদিনের জন্য।

 

সম্প্রতি, ভন্ড জ্বীন পীর বেলাল কৌশল পরিবর্তন করে অনৈতিক ব্যবসার আড়ালে এলাকা ছেড়ে রংপুর গাইবাদ্ধায় ৪০/৫০ জন করে যুবকদের নিয়ে গিয়ে ৩ দিন ৫দিন করে ধর্মিয় আলোচনার নামে উঠতি বয়সের সহজ সরল যুবকদের জঙ্গি প্রশিক্ষন দিচ্ছে। এ বিষয়ে সাংবাদিক বেলালের সংঙ্গে কথা বললে, সে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি এবং সাংবাদিকদের কাছে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। যে সমস্ত ব্যক্তিদের রংপুর গাইবান্ধায় নিয়ে গিয়ে জঙ্গি প্রশিক্ষন দিচ্ছে তারা গোপনিয়তা রক্ষা করছে।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন কে এই ভন্ড জ্বীন পীর বেলাল? যে কিনা কখনো চিকিৎসক, কখনো গৃহ শিক্ষক, কখনো  জ্বীন দ্বারা কবিরাজি, কখনো বাপজান বা মিয়া ভাই পীর নামে পরিচিত হয়ে উঠে। এলাকার সচেতন ব্যক্তিদের প্রতিবাদে ও প্রশাসনের নজরদ্বারী ও সাংবাদিকের সংবাদ প্রকাশের পর সে ক্যাডার বাহিনী সহ গাঁ ঢাকাদেয়। বর্তমানে আবারো ক্যাডার বাহিনী নিয়ে দূর-দূরান্তে সংঘ বদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে মসজিদের ইমাম, গণ্য মান্য ব্যাক্তি, চেয়ারম্যান, মেম্বার, স্কুল শিক্ষক সহ সর্ব স্তরের মানুষ ভন্ড জ্বীন পীর বেলালের অনৈতিক বিষয় গুলো অবহিত আছেন। যার দরুন এলাকাতে কিছু না করে তার অনুসারী নেশা খোর ব্যাক্তিরা এলাকার সহজ-সরল যুবকদের রংপুর গাইবান্ধায় জঙ্গি প্রশিক্ষন দিচ্ছেন। এ বিষয়ে আবারো উদ্বিগ্ন এলাকার সচেতন মহল।

 

 

…………………………………………………………………………………………………………………………………………………………

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন-
সবার আগে সব খবর জানতেস্বদেশ বার্তার সাথেই থাকুন


গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে হট্টগোল

 -"স্বদেশবার্তা ডটকম "

"একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম '           প্রকাশ –  বুধবার, ৩০ জানুয়ারি ২০১৩'

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ- জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডবে গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে হট্টগোল হয়েছে সংসদীয় কমিটিতে। পাশাপাশি পুলিশের ব্যাপক সমালোচনাও করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কি এতটাই দুর্বল যে তারা সহিংস ঘটনা মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বেশ কয়েক এমপি। তাদের বক্তব্য, প্রশাসন এভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিলে সরকারের পক্ষে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। এতে আগামী নির্বাচনের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। তারা বলেন, এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মাত্র ৫ মিনিটের জন্য তিনি জামায়াত-শিবিরের হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন দাবি করে কমিটি এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। এদিকে গোয়েন্দা ব্যর্থতা মানতে নারাজ পুলিশ প্রশাসন। তাদের বক্তব্য- আগে থেকেই জামায়াত-শিবিরের কর্মসূচির বিষয়ে তাদের হাতে তথ্য ছিল। এ কারণে পরিস্থিতি সামলানো সম্ভব হয়েছে। ঢাকার পুলিশ কমিশনার বেনজির আহমেদের এ মন্তব্যের পরই হট্টগোল শুরু হয়। এমপিরা ওই বক্তব্যেরও বিরোধিতা করেন। তাদের পাল্টা প্রশ্ন- আগে থেকে তথ্য থাকলে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সচিবালয়ে কিভাবে হামলা হলো? কেন পুলিশ তা প্রতিহত করতে ব্যর্থ হলো? প্রধানমন্ত্রী নিজেও এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন। এভাবে এমপিদের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হয়ে শেষ পর্যন্ত মাথা নিচু করে বসে থাকেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি আর কোন মন্তব্য করেননি। পরে সংসদীয় কমিটির পক্ষ থেকে জামায়াত-শিবিরের নাশকতা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে থাকার সুপারিশ করা হয়। একই সঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও কাদের মোল্লার রায় ঘোষণার মুহূর্তকে সামনে রেখে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেয় কমিটি। গতকাল সংসদ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানানো হয়। কমিটির সদস্য ঢাকা-৪ থেকে নির্বাচিত এমপি এডভোকেট সানজিদা খানম মানবজমিনকে বলেন, বৈঠকের শুরুতে আমরা জামায়াত-শিবিরের নাশকতার বিষয়ে পুলিশের কাছে জানতে চাই। জবাবে ডিএমপি কমিশনার জানান, আগে থেকেই পুলিশ প্রস্তুত ছিল। তারা যখন ঝটিকা মিছিল বের করে তখন পুলিশের ধাওয়া খেয়ে সচিবালয়ের দিকে আসে। সেখানে নাশকতা চালায়। তিনি বলেন, কমিশনারের ওই বক্তব্যে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারিনি। কারণ, তার ব্যাখ্যা কমিটির কাছে অযৌক্তিক মনে হয়েছে। বৈঠক সূত্র জানায়, কমিটির সভাপতি ছায়েদুল হক নিজেই অনির্ধারিত এ আলোচনা উত্থাপন করেন। সভাপতির বক্তব্যকে কমিটির অন্যান্য সদস্য সমর্থন করেন। এ বিষয়ে কমিটির সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু জানান, সারা দেশে সহিংস ঘটনা ঘটছে, পুলিশের ওপর হামলা হচ্ছে- এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের দেয়া বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। বৈঠকে আগামীতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।


পদ্মা সেতু হওয়া নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সংশয়

"স্বদেশবার্তা ডটকম "


স্টাফ রিপোর্টার: বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফেব্রুয়ারিতে সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বিশ্বব্যাংক না এলে এ সরকারের সময়ে পদ্মা সেতু হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। গতকাল বিকালে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক মন্ত্রী শেখা লুবনার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থ নিশ্চিত হলো ১০ দিনের মধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হবে। পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিমের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব করেছি। বিশ্বব্যাংক এ প্রস্তাবে সাড়া দিলে আগামী ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করতে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন যাবেন। বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন না করলে চীন, অস্ট্রেলিয়াসহ আরও তিনটি দেশের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। অন্যান্য দাতা সংস্থার সঙ্গে সরকার আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী জানান, যে চারটি দাতা সংস্থা আগ্রহ প্রকাশ করেছে, তার মধ্যে একটি ছেড়ে গেলেও সমস্যা হবে না। পরিস্থিতি সামলে ওঠা যাবে। ওদিকে শেখা লুবনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে কমলাপুরের আইসিডি টার্মিনাল গাজীপুরে স্থানান্তরসহ টার্মিনাল নির্মাণে অর্থায়ন করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

ভাইদের অস্ত্র জমা রাখতে বাধ্য হতাম।

"স্বদেশবার্তা ডটকম "

"একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম '           প্রকাশ –  বুধবার, ৩০ জানুয়ারি ২০১৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ- স্কুল জীবনে মহল্লার বড় ভাইদের অস্ত্র জমা রাখতে বাধ্য হতাম। কারণ অস্ত্র জমা না রাখলে তারা মেরে ফেলার হুমকি দিত। আর এভাবে জমা রাখতে রাখতে অস্ত্রের প্রতি একটা মায়া ধরে যায়। শত চেষ্টা করেও আর ওই অবস্থান থেকে সরতে পারিনি। অস্ত্র রাখাই জীবনে কাল হলো। কিন্তু বিশ্বাস করুন, অস্ত্র দিয়ে কখনও খারাপ কাজ করিনি। কথাগুলো অস্ত্রসহ মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ী কাজী আমিনুল ইসলাম শামীমের। গত ১৭ জানুয়ারি পুলিশ তিন সহযোগী জসীম উদ্দিন, সোহেল ও মকবুলসহ তাকে রাজধানীর ফকিরাপুল কাঁচাবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন, ২ রাউন্ড গুলি ও ১টি ধারালো ছুরি। পুলিশ তাদেরকে দুই দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে। ইতিমধ্যে গ্রেফতারকৃতরা নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে।

আমিনুল ইসলাম শামীমের গ্রামের বাড়ি নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার আজমপুর। তবে বড় হয়েছেন রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর জুরাইনে। স্কুল জীবনে পড়াশুনায় ভালই ছিলেন। কিন্তু মহল্লার বড় ভাইদের অস্ত্র জমা রাখতে গিয়ে শেষটায় দশম শ্রেণীতে ওঠার পর পড়াশুনায় ইতি টানেন। তিন ভাই তিন বোনের মধ্যে শামীম সবার ছোট। অন্য দুই ভাই চাকরিজীবী। বাবা জমি ব্যবসায়ী।

শামীম জানায়, পড়াশুনা ছাড়ার কয়েক বছরের মধ্যে সে ব্যবসায় নামে। ব্যবসায় নামার পর দেখে সেখানেও অস্ত্রের গুরুত্ব 'সর্বাগ্রে'। ঝুঁকে পড়ে অস্ত্রের দিকে। অস্ত্র কেনে সীমান্ত এলাকা থেকে। মাঝে-মধ্যে তা বিক্রি করতো ভাল দামে। তবে কখনও অস্ত্র দিয়ে সে কোন খারাপ কাজ করেনি। বন্ধুরা অনেক সময় অস্ত্র নিয়েছে। অনেক সময় টাকা দিয়েছে। আবার অনেক সময় দেয়নি। আর দীর্ঘদিন অস্ত্র বহন করলেও কখনও পুলিশের হাতে গ্রেফতার হতে হয়নি। সে প্রথম অস্ত্র কেনে ২০০৭ সালে, ২২ হাজার টাকায়।

ফকিরাপুল এলাকার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক শামীম বিবাহিত। এক সন্তানের জনক। স্ত্রী জানে তার অস্ত্র বৈধ। এ কারণে কখনও কোন উচ্চবাচ্চ্য করেনি। তবে গ্রেফতার হওয়ার পর জেনেছে সে অবৈধ অস্ত্র বহন করতো।

সে আপেক্ষ করে বলে, সমাজে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে চাইলেও আমার মতো অনেকের পক্ষে তা সম্ভব হয়ে ওঠে না। আমার মতে অনেকেই বিপদগামী হয়েছে 'মহল্লার সেইসব মাস্তান বড় ভাই'দের কারণেই। অস্ত্রবাজ মাস্তানরা টার্গেট করে মহল্লার ভাল ছেলেদের। কারণ তাদের কাছে অস্ত্র জমা রাখলে কেউ সন্দেহ করে না। আর কেউ যদি অস্ত্র জমা রাখতে আপত্তি করে তখন মাস্তানরা হুমকি দেয়, তোর বোনকে অপহরণ করবো অথবা তোর ভাইকে হত্যা করব।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এডিসি (পশ্চিম) মশিউর রহমান বলেন, গ্রেফতারকৃত শামীম সাধারণত কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ কয়েকটি সীমান্ত এলাকা থেকে ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি এবং বিদেশি অস্ত্র সংগ্রহ করতো। পরে তা বেশি দামে নগরীর বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে বিক্রি করতো। জসীম উদ্দিন দীর্ঘদিন সৌদি আরব ছিলো। ২০১১ সালের সে দেশে আসে। বিদেশ থেকে আনা টাকায় ফুরিয়ে যাওয়ার কারণে সে ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এজন্য গত বছর শামীমের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকায় একটি অস্ত্র কিনেছিলো। সোহেল বিবিএ-এর ছাত্র এবং মকবুল হোসেন একজন ছোটখাট ব্যবসায়ী। তারা আর্থিক সুবিধা লাভের জন্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এডিসি আরো বলেন, গ্রেফতারকৃতদের দুই দফায় রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দি শেষে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন-

সবার আগে খবর জানতে“স্বদেশ বার্তার সাথেই  থাকুন।


প্রভাবশালী ভূমি দস্যুর কবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি

"স্বদেশবার্তা ডটকম "(TheVoice Of Bangladesh)

প্রকাশ –  মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি ২০১৩
শামীম সরওয়ার, কক্সবাজার:-কক্সবাজারের কলাতলীস্থ টিএন্ডটি পাহাড় হিসেবে পরিচিত জেলার একমাত্র মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি চিহ্নিত ১২  প্রভাবশালী ভূমি দস্যুর কবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না। স্টেশনের চারপাশের টাওয়ারটির জমি জবরদখল করে নিয়েছে এ ভূমিদস্যুরা। এ প্রভাবশালী দখলকারীরা পাহাড় কেটে সমতল করায় এই টাওয়ারটি দালানসহ ধসে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এতে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজার জেলার একমাত্র এ স্থানটি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বনবিভাগের ৫.৬ একর জমিতে স্টেশনটি স্থাপিত হলেও বর্তমানে এর বেশিভাগ জমি দখল হয়ে গেছে। স্টেশন টাওয়ারের চর্তুদিকে বহুল আলোচিত ৫১ একর জমি ১২ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি বন্দোবস্তো নেয়ার অজুহাতে  দখল করে নিয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৭৬ সালে বনবিভাগ থেকে ৫.৬ একর জমি লীজ নিয়ে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি স্থাপন করা হয়। দেশের সকল মোবাইল কোম্পানী, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থা (ডিজিএফআই), সেনাবাহিনীর ১৭ ইসিবি, জেলা প্রশাসকের ভিডিও কনফারেন্স এর অপটিকেল লিংক, সাবমেরিন ক্যাবল এর ইন্টারকানেকশন, সেন্টমার্টিন, মহেশখালী কুতুবদিয়া এলাকা, চকরিয়া ও উখিয়া টিভি রিলে কেন্দ্রসহ পুরো জেলার সাথে সারা দেশের যোগাযোগ রক্ষায় কলাতলীস্থ জেলার একমাত্র মাইক্রোওয়েভ সাব স্টেশনের লিংক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি যে কোন সময় অকেজো হলে পুরো দেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে এটি কেপিআই অন্তর্ভূক্ত না হলেও স্টেশনটি নানা করণে কেপিআই সমতুল্য। জানা যায়, ১৯৩৫ সালে গেজেট নোটিফিকেশন মূলে কলাতলী পাহাড়ি এলাকায় বনাঞ্চল সৃষ্টির জন্য বনবিভাগকে হস্তান্তর করা হয়। বনবিভাগের নামীয় আর,এস ৮০০১ দাগ এর জমি থেকে কলাতলী মাইক্রোওয়েভ স্টেশন স্থাপনের জন্য স্বাধীনতার আগে ৫.৬ একর জমি লিজ দেয়া হয়। সেখানে ১৯৭৬ সালে মাইক্রোয়েভ স্টেশন স্থাপন করা হয়। অন্য জমিগুলোতে বনবিভাগের স্থাপনা ও বনায়ন করা হয়। কিন্তু সেখানে বর্তমানে কোন বন ও বনভূমির অস্থিত্ব নেই। দখল হয়ে গেছে বন বিভাগের স্থাপনাও। আর জমি হারিয়ে কোনমতে চরম ঝুঁকি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনের টাওয়ারটি। হারিয়ে গেছে অনেক পাহাড়ও। দখলদাররা প্রকাশ্যে এসব পাহাড় কেটে সাবাড় করেছে। জানা যায়, ১৯৭৪-৭৫ সালে বাংলাদেশের বি.এস জরিপে বনবিভাগের নামীয় আরএস ৮০০১ নং দাগ থেকে ২০১৬৩ নং দাগের ৯৪.১৮ একর জমি জঙ্গল শ্রেণীর হিসেবে ১নং খাস খতিয়ানে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। সে সূত্রে বি,এস ২০১৬৩ নং দাগ থেকে ৫১ একর জমি ২০০৬ সালে ০৩/২০০৬ নং দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্ত মামলা মূলে সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড এর অনুকূলে বন্দোবস্ত দেয়া হয়। একই কারণে ভূমি অফিস থেকে স্টেশনের পাহাড়ের বেশিভাগ অংশ ইতিমধ্যেই বন্দোবস্তী দেয়া হয়েছে। আর প্রভাবশালী লোকজন এসব জমি বন্দোবস্ত নিয়ে পুরো এলাকায় দখল করে নিয়েছে। সম্প্রতি বন বিভাগ এই স্টেশনের পাহাড় দখলকারিদের তালিকা তৈরি করেছে। তালিকায় ১২ প্রভাবশালীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ৪ একর ৬০ শতক জমি এই ১২ প্রভাবশালীর দখলে রয়েছে। তবে এদের অনেকেই ভূমি অফিসের বন্তোবস্তির কাগজ পত্র রয়েছে বলে দাবী করেছে। এমনও দেখা গেছে একই জায়গার কাগজ রয়েছে ২/৩ জনের কাছে। ফলে সরকারি এই জায়গা দখল নিয়ে চলছে নানা সহিংস ঘটনা। ধারাবাহিকভাবে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনের অবশিষ্ট জায়গাও দখল প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে এসব প্রভাবশালীরা। স্থানীয় লোকজনের অভিমত, টাওয়ারটি রক্ষার উদ্যোগ নেয়া না হলে যে কোন মুহুর্তে দালান সহ টাওয়ারটি ভেঙ্গে যাবে। এতে কক্সবাজারবাসি টেলিভিশন ও টিএন্ডটি যোগাযোগ সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। কিন্তু প্রশাসনিক নানা ব্যর্থতা ও প্রভাবশালী ভূমি দস্যুদের কারণে এই স্টেশনের জমি বেদখল হয়ে গেছে। দেখা গেছে, জবর দখল করা জায়গার পাহাড় কেটে সমতল করে ফেলা হয়েছে। সমতলে তৈরী করা হয়েছে বসতবাড়িসহ নানা স্থাপনা। কেবল টাওয়ারটির দালান ছাড়া চারপাশের জায়গা ইতিমধ্যে পাহাড় কেটে সমতল করে ফেলা হয়েছে। যার কারণে টাওয়ারের দালানটি ধ্বসে পড়ার আশংকা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দালানের বিভিন্ন অংশ দেখা দিয়েছে ফাটল। এটি রক্ষার উদ্যোগ নেয়ার জন্য উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানিয়ে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নিকট চিঠি পাঠানো হয়েছে।
  চট্টগ্রামে জামাত কর্মীর হরতাল 
প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি ২০১৩ | ১৫ মাঘ, ১৪১৯

  নিজস্ব বার্তা পরিবেশক-

মিছিলে পুলিশের বাধা ও জামাত নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করছে জামাত।

সোমবার যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে চাম্বল বাজারে মিছিল জামায়াত-শিবির বের করে।

পুলিশ বাধা দিলে মিছিল থেকে পুলিশের উপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে তিন পুলিশসহ কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ।

ঝর্ণা ধারা চৌধুরী পদ্মশ্রী খেতাবে ভূষিত



প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি ২০১৩ | ১৫ মাঘ, ১৪১৯

  নিজস্ব বার্তা পরিবেশক-

বাংলাদেশের গান্ধী ট্রাস্টের সচিব ঝর্ণা ধারা চৌধুরী ভারত সরকারের বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। এ খবরে সোনাইমুড়ির গান্ধী আশ্রম ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। তাদের প্রিয় মাসিমাকে ভারত সরকার সম্মানিত করায় তারা গর্বিত।

১৯৩৮ সালের ১৫ অক্টোবর লক্ষ্মীপুরে জন্মগ্রহণ করেন ঝর্ণা ধারা চৌধুরী। ঝর্ণা ধারা চৌধুরী নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টে ১৯৫৪ সাল থেকে কাজ করছেন।

বর্তমানে তিনি ট্রাস্টের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী এবং কুমিল্লা অঞ্চলের প্রায় ১২ লাখ দরিদ্র মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি শান্তি, সম্প্রীতি এবং অহিংসার বানী প্রচারে কাজ করছেন তিনি। একই সঙ্গে মানবসেবায় নিজেকে নিবাদিত করেছেন চিরকুমারী এ নারী।

চট্টগ্রামের প্রবর্তক সংঘের শিক্ষিকা ও অনাথালয়ের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে মানবসেবা শুরু করেছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবর্তক সংঘের ৫০০ শিশু ও কিশোরীকে ভারতে নিয়ে গিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন। মানবসেবার জন্য দেশ-বিদেশের নানা সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন মহীয়সী এ নারী।

নোয়াখালীর গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সচিব ঝর্ণা ধারা চৌধুরী বলেন, ‘গান্ধীজির শান্তির পতাকাতলে আমি আশ্রিত বলে, শান্তির কথা বলি বলে ভারতবর্ষের সরকার মনে করেছে যে তাকে স্বীকৃত দেয়া দরকার। এ জন্য আমি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।’

এ বছর ভারত সরকারের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’ খেতাব ঝর্ণা ধারাকে দেয়া হয়েছে। ভারত সরকারের এ সম্মাননা শুধু তাদের প্রিয় মাসিমার নয়, গান্ধী আশ্রম ও এলাকারও গৌরব।

এলাকাবাসীরা বলেন, এটা শুধু আমাদের বাংলাদেশের গান্ধী আশ্রমের উপহার নয়, বাংলাদেশের সর্ব লোকের ও সর্ব স্তরের জনগণে জন্য এটা একটা উপহার।


             সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে মাদকদ্রব্যের বেচাকেনা

   “স্বদেশবার্তা ডটকম

              “একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম

প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি ২০১৩

 নিজস্ব বার্তা পরিবেশক-

সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ভারত থেকে লালমনিরহাটে মাদকদ্রব্য আনা হচ্ছে। চোরাকারবারিদের সংঘবদ্ধ চক্রের নিয়ন্ত্রণে প্রকাশ্যেই এসব মাদকে বেচাকেনা চলছে। ফলে জেলার আনাচে-কানাচে মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের আখড়া গড়ে উঠেছে।

লালমনিরহাট সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই মাদকদ্রব্য পাচার করা হচ্ছে। আর এই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চোরাকারবারিদের সংঘবদ্ধ চক্র। তাদের নিয়ন্ত্রণেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা করা হচ্ছে। আর এর বিস্তার এমনই ভয়াবহ হয় উঠেছে যে তরুণ, যুবক এবং স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে।

সীমান্তের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত—এ অভিযোগ করে এলাকাবাসীর বলেন, ভারতের মাদকদ্রব্য আরতদারদের সঙ্গে বাংলাদেশের মদক ব্যবসায়ীরা জড়িত। আর মাদকদ্রব্য যেখানে-সেখানে পাওয়া যায়। ফলে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ সম্পর্কে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘প্রত্যেকটা থানায় মাদক অভিযানের জন্য স্পেশাল অফিসার অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে রেখেছি। তাদের কাজ হচ্ছে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা।’

তিনি আরো বলেন, ‘লালমনিরহাট জেলা পুলিশ প্রতিনিয়ত অভিযান করছে চেকপোস্ট, মোবাইল কোর্ট মাধ্যমে এবং আমরা মাদকের রুট, মাদকের চিহ্নিত স্পটে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি।’

তবে এলাকার সচেতন মহল অভিযোগ করছে, এসব অভিযান লোক দেখানো। যার ফলে মাদক পাচার ও বিস্তার দিন দিন বাড়ছে।

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                   www.googleplus.com  

 

Email us -
            [email protected]  (Only For news)

 [email protected] (To Editor)

 

মানবতাবিরোধী অপরাধ

সাঈদীর মামলায় যুক্তিতর্ক শেষ, যেকোনো দিন রায়

                                                                                                             প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি ২০১৩ | ১৫ মাঘ, ১৪১৯


  নিজস্ব বার্তা পরিবেশক-

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামাত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলায় যুক্তিতর্ক শেষ করেছে ট্রাইব্যুনাল। যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল ১-এ তার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর এই মামলা কার্যক্রম শেষে রায়ের অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু ১১ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে বিচারপতি নিজামুল হক সরে দাঁড়ান। পরে বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরকে চেয়ারম্যান করে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়।

এরপর আসামিপক্ষ মামলাটি পুনর্বিচারের আবেদন করে। ৩ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল পুনর্বিচারের আবেদন খারিজ করে নতুন করে যুক্তি উপস্থাপনের নির্দেশ দেন।


শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                   www.googleplus.com  


        “স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice Of Bangladesh)

              “একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম

 

প্রকাশ সোমবার, ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ | ১৪ মাঘ, ১৪১৯

 

  1. শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিঃ ম্যানেজমেন্ট ট্রেনি অফিসার(আবেদনের শেষ তারিখ: ০৭/০২/২০১৩)
  2. প্যাসিফিক ফার্মাসিউটিক্যালস লিঃ মেডিকেল প্রতিনিধি(আবেদনের শেষ তারিখ: ০৪/০২/২০১৩)
  3. জনতা ব্যাংক লিঃ চীপ ল' অফিসার(আবেদনের শেষ তারিখ: ০৭/০২/২০১৩)
  4. বাংলাদেশ পানিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট  ফিল্ড এ্যাসিস্টেন্ট(আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০/০১/২০১৩)
  5. ইনজিনিয়ারিং ইউনিভারসিটি স্কুল এন্ড কলেজ -সহকারী শিক্ষক-(আবেদনের শেষ তারিখ: ০৫/০২/২০১৩)
  6. পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি বিশ্ববিদ্যালয় -সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল)-(আবেদনের শেষ তারিখ: ০৩/০২/২০১৩)
  7. বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয় -সিস্টেম এনালিস্ট-(আবেদনের শেষ তারিখ: ৩১/০১/২০১৩)
  8. কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার -কম্পিউটার অপারেটর-(আবেদনের শেষ তারিখ: ০৩/০২/২০১৩)
  9. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অধ্যক্ষ-(আবেদনের শেষ তারিখ: ০৭/০২/২০১৩)
  10. এলিট সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিঃ গানম্যান-(প্রতিদিনই ভর্তি করা হয়)
  11. জমজম হাসপাতাল (প্রাঃ) লিমিটেড -শিশু বিশেষজ্ঞ-(আবেদনের শেষ তারিখ: ২০/০১/২০১৩)
  12. আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড -সিনিয়র এক্সিকউটিভ অফিসার-(আবেদনের শেষ তারিখ: ৩১/০১/২০১৩)
  13. ইউনাইটেড ইন্সুরেন্স কোম্পানী লিঃএক্সিকউটিভ-(আবেদনের শেষ তারিখ: ৩১/০১/২০১৩)

 

পদের নাম : কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভ

বর্ণনা: আকর্ষণীয় বেতনে দেশের সর্ববৃহত্ আমেরিকান স্টাইল শপিংমলের জন্য স্মার্ট সেলসগার্ল,

কাস্টমার কেয়ার এক্সিকিউটিভ। প্রগতি সরণি, কুড়িল, বিশ্বরোড। ০১৭৫৫৫৬৯৫১১

 

পদের নাম : ওয়েটার

বর্ণনা: গাজীপুর শ্রীপুরে মাওনাতে অবস্থিত সুপরিচিত পিএফসি রেস্টুরেন্টে পাঁচজন ওয়েটার আর্জেন্ট নিয়োগ। বেতন (৩০০০-৪০০০) টাকা,

অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আছে, থাকা-খাওয়া ফ্রি। ০১৭১৬২৬৫৯৭৯

পদের নাম : জিএম/ম্যানেজার

 

বর্ণনা: ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট/র্যাম্প পরিচালনার জন্য অভিজ্ঞ লোক। জিএম/ম্যানেজার, মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ (মহিলা), রিসিপশনিস্ট নিয়োগ।

যোগাযোগ: ৮৯/১, সিদ্ধেশ্বরী রোড, ঢাকা। [email protected] ০১৬৮৫৭১২৪৮৮।

 

পদের নাম : শিক্ষক

বর্ণনা : শিক্ষাবোর্ড অনুমোদিত ইকবাল সিদ্দিকী স্কুল, নয়নপুর রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস গাজীপুরে ১ জন করে গণিত, রসায়ন,

ইংরেজি, কৃষিশিক্ষা, শারীরিক শিক্ষা, চারুকারু শিক্ষক, ২ জন জুনিয়র শিক্ষক, ১ জন দপ্তরি ও ২ জন সিকিউরিটি। আগ্রহী অধূমপায়ীদের

লিখিত পরীক্ষায় ২৫ জানুয়ারি সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ে থাকতে হবে। মোবা: ০২৯২০১১০০, ০১৯২৯৯১৮৮৩৩

 

পদের নাম : সহকারী মার্কেটিং ম্যানেজার

বর্ণনা : একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ১ জন মার্কেটিং ও

১ জন সহকারী মার্কেটিং ম্যানেজার (মাস্টার্স) আবশ্যক। হাউস-৪০১, রোড-২৯, ডিওএইচএস,

মহাখালী। ০২৮৭১১৩৯৯, ০১৭৬৮৩০১১৭১

 

 

শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                   www.googleplus.com  

রাজশাহীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউআইটিএস’র ভুয়া সনদ বাণিজ্য

“স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice Of Bangladesh)

একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম          

                               প্রকাশ রোববার, ২৭ জানুয়ারি ২০১৩ | ১৩ মাঘ, ১৪১৯

রাজশাহী থেকে জামি রহমান :

রাজশাহীতে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি ইনফরমেশন অব টেকনলোজি অ্যান্ড সায়েন্সে (ইউআইটিএস) বিবিএ’র ভূয়া বিশ্ববিদ্যা্লয়ের নামে সনদপত্র প্রদানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে ইউ.আই.টি.এস -এর শিক্ষার্থীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর হোসনীগঞ্জে অবস্থিত ইউ.আই.টি.এস এর এক নম্বর ভবনের সামনে তারা এই মানববন্ধন করে। রাসত্মা অবরোধ করে মানববন্ধন করায় পুলিশ বাধা দিলে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও সমাবেশ করে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ তাদের ঢাকা ইউ.আই.টি.এস -এর অধিনে রাজশাহী ক্যাম্পাসের ভর্তি করা হলেও সনদপত্র প্রদান করা হচ্ছে (‘ইউনিভার্সিটি ইনফরমেশন অব টেকনলোজি অ্যান্ড সায়েন্স) আর.ইউ.আই.টি.এস -এর। যা নকল হওয়ায় ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ এই নকল সার্টিফিকেট নিয়ে অন্য বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ ভর্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা। সমাবেশ থেকে, বৈধ সনদপত্র প্রদান করা নাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাবার ঘোষনা দেয় শিক্ষার্থীরা।

ইউআইটিএসের একটি সূত্র জানায়, ২০১০ সালে বহিরাগত ক্যাম্পাস চালাতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন শেষ হয়ে যায়। তারপরেও রাজশাহী ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী ভর্তি চলতে থাকে। ২০১০ সালের পর যাদের কোর্স সম্পন্ন হয়েছে, এখন তাদের সনদ  দেয়া হচ্ছে। আর ওই সনদটিতে ইউআইটিএসের পরিবর্তে আরইউআইটিএস লেখা থাকছে। সূত্রটি জানায়, আরইউআইটিএস হিসেবে অনুমোদন পেতে কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে আবেদন করেছে। তবে কোনো অনুমোদন ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটি সার্টিফিকেট বাণিজ্য শুরু করেছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, ইউআইটিএস রাজশাহী ক্যাম্পাসে ২০১০ সালের আগে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর সময় প্রতিষ্ঠানটির মূল ক্যাম্পাস ঢাকা থেকে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হবে বলে জানানো হয়। যাদের পড়াশোনা  শেষ হয়েছে সম্প্রতি তাদের সনদ দেয়া হচ্ছে। তবে সনদে ইউআইটিএসের পরিবর্তে ‘আর ইউআইটিএস’ লেখা থাকছে। আর ইউআইটিএসের অনুমোদন না থাকায় সনদ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। এনিয়ে মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানটির স্থানীয় কোঅর্ডিনেটর আরমান আলীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা ‘আরইউআইটিএস’ এর পরিবর্তে ‘ইউআইটিএস’ লেখা সনদ দাবি করেন। এনিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে কয়েকজন শিক্ষক ও তাদের লেলিয়ে দেয়া লোকজন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। বৈঠকে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের পেটানোর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্যাম্পাসের অন্য শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে চারদিক ঘিরে ফেলেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়। এদিকে, ভূয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে সনদ প্রদানের চেষ্টা করায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী পড়েছে বিপাকে।

এনিয়ে ইউআইটিএস রাজশাহী ক্যাম্পাসের কো-অর্ডিনেটর আরমান হোসেনের সঙ্গে কয়েক দফায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত ০১৭৩০-০৩৮৬৭০ ও ০১৮৩৩-৩১০৮৭৬ নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                   www.googleplus.com

 

Email us -
[email protected]  (Only For news)  [email protected] (To Editor)

ফেসবুক থেকে জানুন সর্বশেষ সংবাদ

"স্বদেশবার্তা ডটকম "(The Voice Of Bangladesh)

"স্বদেশবার্তা ডটকম "এপ্রকাশিত কোনো তথ্য, ছবি, অথবা অন্য যেকোনো উপাদান বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অন্য কোনো সাইটে প্রকাশ অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচার করা বাংলাদেশ কপিরাইট আইনানুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে গবেষণামূলক কাজে এই সাইটের তথ্য প্রদর্শন করা যেতে পারে, সেক্ষেত্রে সূত্র উল্লেখ করতে হবে।

 

দক্ষ জনসম্পদ সঠিক পন্থায় ব্যবহার করুন: প্রধানমন্ত্রী

“স্বদেশ বার্তা ডটকম

The Voice Of Bangladesh)

“একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম             

                                প্রকাশ-শনিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১৩ | ১২ মাঘ, ১৪১৯

     নিজস্ব বার্তা পরিবেশক-

বিদেশিদের কাছ থেকে অর্থ সহায়তা চেয়ে আর কটুক্তি শুনতে চান না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনসম্পদকে সঠিক পন্থায় ব্যবহার করা। শনিবার চট্টগ্রামে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর ৫৪তম কনভেনশনের উদ্বোধন করে তিনি এ কথা বলেন।

জনসম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করে বিশ্বে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে সকলের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী।

বিদেশিদের কাছ থেকে অর্থ সহায়তা চেয়ে আর কটুক্তি শুনতে চান না—এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের দারিদ্র দূর করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

এ সময় চট্টগ্রামের বদ্দরহাট ফ্লাইওভার ভেঙে পড়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যেতে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

এছাড়া বিরোধীদলের দুর্নীতি, অনিয়ম আর অবহেলার কথা উল্লেখ করে তার সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন কেবল গণতান্ত্রিক সরকারের আমলেই হয়েছে।

পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গিয়ে ৪টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি।

নির্বাচনের স্বার্থে ১/১১ মতো পরিস্থিতিকে সমর্থন দেয়া হবে-এরশাদ

                 “স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice Of Bangladesh)

একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম                    প্রকাশ-শনিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১৩ | ১২ মাঘ, ১৪১৯

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক-         সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনে ১/১১ মতো পরিস্থিতিকেও জাতীয় পার্টি সমর্থন দেবে বলে জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। শুক্রবার রাজধানীতে বনানী একটি স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। বিএনপি নির্বাচনে না এলে দেশে আবারো ওয়ান ইলেভেনের মতো পরিস্থিতির আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুয়ায়ী জানুয়ারিতে নির্বাচন হলেও জয়ী দল কতোদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে সেটি নিয়েও সংশয় আছে। এরশাদ বলেন, ‘যদি কোনো মিডিল পয়েন্ট না থাকে নির্বাচন না হয় মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে সরকারকে তাদের ফিরে যেতে হবে। উনারা (বর্তমান সরকার) থাকতে পারবে না। অত্রএব সেনা আসার সম্ভবনা আছে বলে আমার মনে হয়।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চাই না সে সম্ভবনা আসুক। আমরা চাই না সম্ভবনা সৃষ্টি হোক কিন্তু হওয়ার সম্ভবনা আছে। যদি একটা প্রক্রিয়া শুরু হয় কোনো দল নির্বাচনে আসলো না সরকারকে বাধ্য করে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে, যাতে সরকার চলে যাওয়ার পর একটা সরকার থাকে। যার মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে। কাজেই সে সরকারকে সমর্থন করতেই হবে।’

প্রধান রাজনৈতিক দল দুটির কারণেই আবারো ওয়ান-ইলেভেনের মতো পরিস্থিতি হতে পারে বলেও জানান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।

 

রাজধানীর পোশাক কারখানায় আগুন, নিহত ৭

 “স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice Of Bangladesh)

একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম     প্রকাশ শনিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১৩ | ১২ মাঘ, ১৪১৯

     নিজস্ব বার্তা পরিবেশক-

রাজধানীর মোহাম্মদপুর বেরিবাঁধে স্মার্ট ফ্যাশন নামের একটি পোশাক কারখানায় আগুনে ৭ জন মারা গেছেন। শনিবার এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

অগ্নিকাণ্ডে আহত কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

দুপুরে পোশাক কারখানাটিতে আগুন লাগে। পরে ১ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বাহিনী।

তবে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

 

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় প্যাভিলিয়ন ধসে একজনের মৃত্যু

     নিজস্ব বার্তা পরিবেশক-

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় পারটেক্স গ্রুপের প্যাভিলিয়ন ভেঙ্গে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার এ ঘটনায় প্যাভিলিয়নের নীচে চাপা পড়ে আহত হয়েছেন অনেকে।

আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার কাজ চলছে বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                   www.googleplus.com

 

Email us -
[email protected]  (Only For news)

 [email protected] (To Editor)

 

 

ফেসবুক থেকে জানুন সর্বশেষ সংবাদ - "স্বদেশবার্তা ডটকম "(The Voice Of Bangladesh)

রান্না ব্লগ

প্রিয় পাঠক,

“স্বদেশবার্তা ডটকম রান্না ব্লগে আপনি আপনার রেসিপি পাঠাতে পারেন I

“স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice Of Bangladesh)

একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম           

                                     প্রকাশ শনিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১৩ | ১২ মাঘ, ১৪১৯

 

                                                      ফরমালিন থেকে বাঁচার উপায়

 

ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH2O) পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। পানিতে সহজেই দ্রবনীয়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়। ফর্মালিন সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, পেপার, রং, কনস্ট্রাকশন ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। দুটোই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।ফরমালিনের ক্ষতিকর দিক:ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনাকে আক্রান্ত করে রেটিনার কোষ ধ্বংস করে। ফলে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।তাৎক্ষণিকভাবে ফরমালিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, কারবাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে পেটের পীড়া, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে।

                                                      ধীরে ধীরে এসব রাসায়নিক পদার্থ লিভার, কিডনি, হার্ট, ব্রেন সব কিছুুকে ধ্বংস করে দেয়। লিভার ও কিডনি অকেজো হয়ে যায়। হার্টকে দুর্বল করে দেয়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়।ফরমালিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করার ফলে পাকস্থলী, ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যান্সার হতে পারে। অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হওয়ার ফলে রক্তশূন্যতাসহ অন্যান্য রক্তের রোগ, এমনকি ব্লাড ক্যান্সারও হতে পারে। এতে মৃত্যু অনিবার্য।মানবদেহে ফরমালিন ফরমালডিহাইড ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তের এসিডিটি বাড়ায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করে।

 

ফরমালিন ও অন্যান্য কেমিক্যাল সামগ্রী সব বয়সী মানুষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে। ফরমালিনযুক্ত দুধ, মাছ, ফলমূল এবং বিষাক্ত খাবার খেয়ে দিন দিন শিশুদের শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে। কিডনি, লিভার ও বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট, বিকলাঙ্গতা, এমনকি মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে শিশু-কিশোররা। শিশুদের বুদ্ধিমত্তা দিন দিন কমছে।

গর্ভবতী মেয়েদের ক্ষেত্রেও মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। সন্তান প্রসবের সময় জটিলতা, বাচ্চার জন্মগত দোষত্রুটি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে, প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হতে পারে।

এ ধরনের খাদ্য খেয়ে অনেকে আগের তুলনায় এখন কিডনি, লিভারের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগের সমস্যায় ভুগছেন। দেখা যাচ্ছে, কয়েক দিন পরপর একই রোগী ডায়রিয়ায় ভুগছেন, পেটের পীড়া ভালো হচ্ছে না, চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

কিভাবে মাছ থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন ?

পরীক্ষায় দেখা গেছে পানিতে প্রায় ১ ঘন্টা মাছ ভিজিয়ে রাখলে ফর্মালিনের মাত্রা শতকরা ৬১ ভাগ কমে যায়।

লবনাক্ত পানিতে ফর্মালিন দেওয়া মাছ ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ ফর্মালিনের মাত্রা কমে যায়।

প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ও পরে সাধারন পানিতে ফর্মালিন যুক্ত মাছ ধুলে শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ফর্মালিন দূর হয়।

সবচাইতে ভাল পদ্ধতি হল ভিনেগার ও পানির মিশ্রনে (পানিতে ১০ % আয়তন অনুযায়ী) ১৫ মিনিট মাছ ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ১০০ ভাগ ফর্মালিনই দূর হয়।

কিভাবে ফল ও সবজি থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন ?

খাওয়ার আগে ১০ মিনিট গরম লবণ পানিতে ফল ও সবজি ভিজিয়ে রাখতে হবে।

………………………………………………………………………………………………………………

মোরগের সুপ

 

১। সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে ১কাপ পানি দিয়ে ঢেকে চুলায় দাও। পানি শুকালে মাংস ৫ মিনিট কষাও।

২। মাংস কষানো হলে ছয় কাপ পানি দিয়ে একঘন্টা চুলায় রাখ। পানি ৪ কাপ আন্দাজ হলে সুপ চুলা থেকে নামাও। পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে সুপ বাগাড় দাও।

৩। মাংস সহ বা মাংস বাদে সুপ পরিবেশন কর। চুলা থেকে নামাবার ২০ মিনিট আগে সুপে ফুলকপি, টমেটো, মটরশুটি, গাজর ইত্যাদি সবজি দিয়ে সিদ্ধ করা যায়। এ সুপ রোগীকেও পরিবেশন করা যায়।


গ্রিলড চিজ এন্ড ভেজিটেবল সুপ

 

[[PASTING TABLES IS NOT SUPPORTED]]

১। মাঝারি ৬টি টমেটো বড় টুকরা কর। ৫কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ কর। টমেটো সিদ্ধ হলে লিকুইডাইজারে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নাও।

২। সসপ্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ ও তেজপাতা দিয়ে আধা মিনিট ভাজ। গাজর ও বাঁধাকপি দিয়ে আরও ১মিনিট ভাজ। টমেটো সুপ দাও।

৩। অল্প পানিতে করণফ্লাওয়ার গুলে সুপে দিয়ে নাড়।

৪। দারচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচ পাতলা কাপড়ে পুটলি বেঁধে সুপে দাও। ২ চা চামচ লবণ দিয়ে ২২ মিনিট সিদ্ধ কর।

৫। মটরশুটি, টমেটো, চিনি এবং সামান্য গোলমরিচের গুড়া দিয়ে একবার ফুটাও।

৬। উনুন থেকে নামাও। মসলার পুটলী তুলে ফেল। পরিবেশনের বড় বাটিতে সুপ ঢাল। উপরে পনির কুচি ছিটিয়ে দাও।

৭। ওভেনে দিয়ে ৫মিনিট গ্রীল কর। গারলিক ক্রাউটন দিয়ে পরিবেশন কর।

………………………………………………………………………………………………………….

হট এন্ড সাওয়ার সুপ

 

[[PASTING TABLES IS NOT SUPPORTED]]

১। দুটি মোরগের হাড় সিদ্ধ করে ১২ কাপ স্টক ছেঁকে নাও।

২। মোরগের মাংস ২সে.মি লম্বা ১সে.মি চওড়া টুকরা কর।

৩। চিংড়ি ছোট ছোট টুকরা কর। ডিম অল্প ফেট।

৪। করণফ্লাওয়ার এক কাপ পানিতে গুলে নাও।

৫। মোরগের স্টকে অর্ধেক গোলানো করণফ্লাওয়ার ও ডিম দিয়ে মিশাও। কাঁচামরিচ, মাংস, চিংড়ি, চিনি, চিলি সস, লেমন গ্রাস, লবণ ও স্বাদলবণ দিয়ে নেড়ে নেড়ে মিশাও।

৬। উনুনে দিয়ে হালকাভাবে ঘন ঘন নাড়তে থাক। অনবরত না নাড়লে ফেটে যাবে। উনুনের মাঝারি আচে ১৫-১৭ মিনিট নেড়ে নেড়ে ফুটাও। আঁচ কমিয়ে দাও। ৩-৪ মিনিট পরে লেবুর রস ধীরে ধীরে দিয়ে হালকাভাবে নাড়। প্রয়োজন হলে আরও চিলিসস ও লবণ দাও।

রসুনের জাদু

 

রান্নার উপকরন হিসেবে রসুনের ব্যবহার আবহমান কাল থেকেই। শুধু রান্নায় স্বাদের তারতম্য আনার জন্য নয়, রসুনের পুষ্টিগুণও রসুনকে পৌঁছে দিয়েছে উপাদেয় মসলার তালিকায়। তাই রান্নার অনুষঙ্গের পাশাপাশি রসুন স্বাস্থ্য ভাল রাখার মন্ত্র হিসেবেও কাজ করছে।

রসুনে রয়েছে ময়শ্চার, প্রোটিন, ফ্যাট, মিনারেল ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেট। ভিটামিন ও মিনারেলের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, থিয়ামিন, রিবোফ্লোভিন, ভিটামিন সি। এছাড়া আয়োডিন, সালফার ও ক্লোরিনও রয়েছে অল্প পরিমানে।

০ রসুন ক্ষুধা মন্দা তৈরী করে।
০ অ্যাজমা, কানে কম শোনা প্রভৃতি থেকে সুরক্ষা করে রসুন।
০ রসুন ফুসফুস, ব্রঙ্কিয়াল টিউব, সাইনাসের গহ্বরে মিউকাস জমতে দেয়না।
০ টিউবার কিউলোসিস, নিউমোনিয়া, হুপিং কাশির মতো অসুখে রসুন উপকারী।
০ রসুন ঘা, আলসার সহজে সারায়।
০ হজমে গোলমাল যেমন আমাশয় ও কৃমির সমস্যাতেও এটি উপকারী।
০ ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করতেও রসুন উপযোগী।
০ রক্ত সঞ্চালন সঠিক রেখে শরীরে টক্সিন কমায়।
০ ক্যানসার প্রতিরোধক হিসেবেও রসুনের সুনাম রয়েছে।

রসুনের অপকারীতা

০ রসুন বেশী খেলে অনেক সময় মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দেয়।
০ রসুন থেকে অ্যালার্জি হতে পারে।

লক্ষ্য রাখুন

০ রসুন নরম হয়ে গেলে বা সবুজ রঙ দেখা দিলে সেই রসুন কিনবেন না। কারণ এসব রসুনের কার্যগুন নষ্ট হয়ে যায়। কেনার সময় মাঝারি আকারের রসুন কিনুন।
০ বন্ধ পাত্রে না রেখে খোলা পাত্রে রসুন রাখুন। ভুলেও রেফ্রিজারেটরে রসুন রাখবেন না। এতে করে রসুন নরম হয়ে যাবে।
০ কাঁচা রসুন স্বাস্থ্যকর নয়। ভাজার জন্য বা কারি পেস্টের জন্য রসুন ব্যবহার করা হয়।

 

শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                   www.googleplus.com  

 

Email us -
Sawdes[email protected]  (Only For news)  [email protected] (To Editor)

 

ফেসবুক থেকে জানুন সর্বশেষ সংবাদ - "স্বদেশবার্তা ডটকম "(The Voice Of Bangladesh)

"স্বদেশবার্তা ডটকম "এপ্রকাশিত কোনো তথ্য, ছবি, অথবা অন্য যেকোনো উপাদান বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অন্য কোনো সাইটে প্রকাশ অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচার করা বাংলাদেশ কপিরাইট আইনানুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে গবেষণামূলক কাজে এই সাইটের তথ্য প্রদর্শন করা যেতে পারে, সেক্ষেত্রে সূত্র উল্লেখ করতে হবে।

স্বদেশবার্তা ডটকম এর পক্ষে

লায়ন রাজীব চৌধুরী

প্রধান সম্পাদক মানবাধিকার কর্মী

এবং

সম্পাদক ,প্রকাশক মানবাধিকার কর্মী - এম..হাবিব জুয়েল

 

 

বাচ্চু রাজাকারকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

“স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice Of Bangladesh)

          প্রকাশ -বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৩

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক-
বাচ্চু রাজাকারকে দেশে ফিরিয়ে এনে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের রায় কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। তিনি বলেন, বাচ্চু রাজাকারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা দরকার তার সবই করা হবে। প্রয়োজনে ইন্টারপোলের সহয়তা নেয়া হবে। গতকাল দুপুরে পুলিশ সপ্তাহ-২০১৩ উপলক্ষে আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান চলাকালে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত বাচ্চু রাজাকারকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্পর্কে তিনি বলেন, বাচ্চু রাজাকার যেখানেই পালিয়ে থাক না কেন তাকে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়া হবে। তাকে দেশে এনে বিচারের রায় কার্যকর করা হবে। বাচ্চু রাজাকার যে দেশে পালিয়ে আছে সেই দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে ইন্টারপোলের সহয়তা নিয়ে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা নিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে যারা বাধা দিয়েছে তারাও সমান অপরাধে অপরাধী। তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে।
গত মঙ্গলবার তার দেয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচনা হচ্ছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, আপনার দৃষ্টিতে সমালোচনা মনে হচ্ছে। কিন্তু আমার কাছে বিষয়টি ঠিক আছে বলে মনে হচ্ছে। বেআইনি সমাবেশ বন্ধ করতে যা করা দরকার ডিসি হারুন তাই করেছে। সহিংসতা মোকাবিলায় পুলিশ ফুলের মালা নিয়ে যাবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানান তিনি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় অনেকে দায়িত্ব অবহেলা করেছে। যারা ভালো করেছে তাদের পুরস্কার দেয়া হয়েছে যারা দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
এ সময় তিনি পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা করেন। এ ধরনের কর্মকা- ভবিষ্যতে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন করেন।
অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                   www.googleplus.com  

 

Email us -
[email protected]  (Only For news)  [email protected] (To Editor)

 

ফেসবুক থেকে জানুন সর্বশেষ সংবাদ -

"স্বদেশবার্তা ডটকম "(The Voice Of Bangladesh)


“স্বদেশবার্তা ডটকম “
(The Voice Of Bangladesh)

  • একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম   
  •  প্রকাশ শনিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১৩ | ১২ মাঘ, ১৪১৯
  •  

    নিজস্ব বার্তা পরিবেশক-

রাজধানীর মোহাম্মদপুর বেরিবাঁধে স্মার্ট ফ্যাশন নামের একটি পোশাক কারখানায় আগুনে ৭ জন মারা গেছেন। শনিবার এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

অগ্নিকাণ্ডে আহত কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

দুপুরে পোশাক কারখানাটিতে আগুন লাগে। পরে ১ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বাহিনী।

তবে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

 

শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                   www.googleplus.com

 

Email us -
[email protected]  (Only For news)

 [email protected] (To Editor)

 

 

ফেসবুক থেকে জানুন সর্বশেষ সংবাদ - "স্বদেশবার্তা ডটকম "(The Voice Of Bangladesh)

  ঢামেক হাসপাতালে অজ্ঞাত যুবকের লাশ
নিজস্ব প্রতিদেক-
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গতকাল বুধবার অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ পাওয়া গেছে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে বিকেল ৪টার দিকে কে বা কারা লাশটি ফেলে রেখে যায়। তার পরনে কালো প্যান্ট এবং বিস্কুট রঙের জামা রয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে লাশটি রাখা হয়েছে।

ভারতে মৃত্যুদন্ড আইন রহিত হচ্ছে

 “স্বদেশ বার্তা ডটকম “

(The Voice Of Bangladesh)

“একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম             প্রকাশ -বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৩

ই-রিপোর্টার-

ভারতে বিচারপতি জেএস ভার্মার নেতৃত্বে গঠিত কমিটি ধর্ষণ আইন সংশোধন করে আরও কঠোর করার সুপারিশ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে বিচারপতি ভার্মা বলেছেন, আইনের দুর্বলতার জন্য নয় শাসন ব্যবস্থার দুর্বলতার জন্যই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। সরকারের পক্ষ থেকে সুশাসন নিশ্চিত না করার কারণেই আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে এবং  মহিলাদের ওপর হামলা বেড়ে গেছে।

 

দিল্লির সাম্প্রতিক গণ-ধর্ষণের বিরুদ্ধে ভারত জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠলেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র  সচিব দিল্লি কমিশনারের প্রশংসা করায় বিচারপতি ভার্মা বিস্ময় প্রকাশ করে। তিনি বলেন, কমিটি গঠনের ২৯ দিনের মধ্যে রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের ৮০ হাজার মানুষের মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এটি তৈরি হয়েছে।

 

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের  একটি সূত্র জানিয়েছে, রিপোর্টে কিছু বিরল ক্ষেত্রে মৃত্যুদন্ডের সুপারিশ রয়েছে। পাশাপাশি অ্যাসিড নিক্ষেপের দায়ে ২ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত সাজা ও ধর্ষণের শাস্তির মেয়াদ ৭ থেকে ১০ বছর করারও সুপারিশ করা হয়েছে।

 

শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                  www.googleplus.com  



মা হলেন শাকিরা

 “স্বদেশ বার্তা ডটকম “

(The Voice Of Bangladesh)

“একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম             প্রকাশ -বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৩

তারকারিপোর্টার-

পুত্র সন্তানের মা হলেন শাকিরা
কলম্বীয় পপ গায়িকা শাকিরা পুত্র সন্তানের মা হলেন ২২ জানুয়ারি।  রাত ৯টা ৩৬ মিনিটে প্রথম সন্তানের মা হন তিনি। স্প্যানের বার্সেলোনা হাসপাতালে বর্তমানে শাকিরা ও তার নবজাতক সন্তান রয়েছে। বর্তমানে মা ও পুত্র দুজনই সুস্থ রয়েছেন। তার সন্তানের ওজন তিন কেজি হয়েছে বলে ডাক্তার জানিয়েছে। শাকিরার মা হবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তার পরিবার। শাকিরা ও তার প্রেমিক স্প্যানিশ ফুটবলার জেরার্ড পিক এর পরিবার থেকে জানানো হয় ‘আমরা খুবই আনন্দিত এ খবর পেয়ে।’ শাকিরার সন্তানের নাম রাখা হয়েছে মিলান পিক। এর আগে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে নিজের সন্তান হবার খবরটা টুইটারের মাধ্যমে সবাইকে জানিয়েছিলেন শাকিরা।


খিলগাঁওয়ে সাত বছরের শিশু ধর্ষণ

 “স্বদেশ বার্তা ডটকম “

(The Voice Of Bangladesh)

“একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম             প্রকাশ -বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৩


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক-
রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় মাত্র সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে মানিক নামে এক নরপশু। ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে সারাদেশের মানুষ যখন প্রতিবাদমুখর তখন খোদ রাজধানীতেই একের পর এক শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খিলগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করেছে।
খিলগাঁও থানার এসআই ফারুক হোসেন জানান, শিশুটি খিলগাঁও গোড়ান এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। শিশুটির বাসার ভাড়াটিয়া মানিক মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে তাকে রুমে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে সুযোগ বুঝে ধর্ষণ করে শিশুটিকে। পরে তার চিৎকারে বাসার লোকজন ছুটে এসে ধর্ষক মানিককে আটক করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। ওই ঘটনার পরপরই শিশুটির মা রাবেয়া বেগম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মানিককে গ্রেফতার দেখানো হয়। শিশুটি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এসআই ফারুক আরও জানান, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মানিক ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। শিশুটিকে চিকিৎসা দেয়া এবং ডাক্তারি পরীক্ষা করা হচ্ছে।

প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষকদের অবস্থান

“স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice Of Bangladesh)

একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম             প্রকাশ -বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ- শিক্ষক ঐক্যজোট আয়োজিত অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকরা পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়েছে ।

 

বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষকরা প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেয়ার চেষ্টা করলে প্রথমে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় তাদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় পুলিশ। তবে বাধা উপেক্ষা করে আবার প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষকরা।

 

শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, আন্দোলন যদি করতে হয় প্রেসক্লাবের সামনেই করবো। আমরা কোথাও যাবো না। তিনি বলেন,আমাদের মাইক ব্যবহার করতে দেয়া হয়নি। এ সময় চাকরি জাতীয়করণের ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।

 

অন্যদিকে প্রেস ক্লাবের সামনে শিক্ষকরা অবস্থান নেয়ার কারণে দৈনিক বাংলার মোড় থেকে পুরানা পল্টনসেগৃন বাগিচা,হাই কোর্টের মাজার মোড় এবং সচিবালয়ের সামনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ট্রাফিক পুলিশ যানজট নিরসনে ব্যর্থ হয়ে অসহায়ের মত দাঁড়িযে থাকতে দেখা যায়।

 

 

শেয়ার করুন-              

    www.facebook.com                   www.googleplus.com  

 

Email us -
[email protected]  (Only For news)  [email protected] (To Editor)

 

ফেসবুক থেকে জানুন সর্বশেষ সংবাদ - "স্বদেশবার্তা ডটকম "(The Voice Of Bangladesh)

"স্বদেশবার্তা ডটকম "এপ্রকাশিত কোনো তথ্য, ছবি, অথবা অন্য যেকোনো উপাদান বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অন্য কোনো সাইটে প্রকাশ অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচার করা বাংলাদেশ কপিরাইট আইনানুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে গবেষণামূলক কাজে এই সাইটের তথ্য প্রদর্শন করা যেতে পারে, সেক্ষেত্রে সূত্র উল্লেখ করতে হবে।

“চট্টগ্রামে সস্ত্রীক ভন্ড কবিরাজ গ্রেফতার ”-

“ স্বদেশ বার্তা ডটকম "

 

আজাদ সোহাগ- চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর খরনদ্বীপ গ্রামে নিজ বাড়িতে তরুণীর চিকিৎসার নামে আগুনে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় স্ত্রীসহ এক ভন্ড কবিরাজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এরা হলেন, ভন্ড কবিরাজ মনসুর বৈদ্য এবং তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস।

বৃহস্পতিবার ভোরে রাঙ্গামাটি জেলা সদরের ভাড়া বাসা থেকে বোয়ালখালী থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করেছে।

 বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম সবুজ ইনিউজকে বলেন, ‘চিকিৎসার নামে শরীরে আগুনে পুড়িয়ে মারার অপরাধে দায়ের হওয়া মামলায় মনসুর বৈদ্য ও তার স্ত্রীকে রাঙ্গামাটি জেলার তবলছড়ির একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

                                                        পুলিশ সূত্র জানায়, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর নিজ বাড়িতে পটিয়া উপজেলার ইয়াকুবদন্ডী গ্রামের আবু জাফরের মানসিকভাবে অসুস্থ মেয়ে তানজিনা আক্তারের (১৮) গায়ে মোমবাতি জ্বালিয়ে চিকিৎসা করেন ভন্ড কবিরাজ মনসুর। এতে মেয়েটির শরীর আগুনে পুড়ে যায়। পরে মেয়েটিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ ডিসেম্বর আগুনে দগ্ধ মেয়েটির মৃত্যু হয়।এদিকে একই বছরের ২৬ ডিসেম্বর মনসুর বৈদ্য ও স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসকে আসামি করে মেয়েটির বাবা আবু জাফর বোয়ালখালী থানায় হত্যাচেষ্টার দায়ে একটি মামলা করেন। মেয়েটি মারা যাওয়ার পর তা হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

 ওসি জহিরুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘মামলার পর থেকেই মনসুর বৈদ্য সস্ত্রীক পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রায় দুই সপ্তাহ চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েও তাদের গ্রেফতার করা যায়নি। তবে বৃহস্পতিবারের অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।’

 এদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলেও ওসি জানিয়েছেন।


 

ফেসবুক থেকে জানুন সর্বশেষ সংবাদ - "স্বদেশবার্তা ডটকম "(The Voice Of Bangladesh)

Subscribe To My Website

  • Subscribing allows you to get site updates. Your email address will be kept private.


বিরিয়ানি রেসিপি

 “স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice Of Bangladesh)

একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম         

  প্রকাশ -বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৩

 

উপকরণ :
১. বড় একটা হাড়ি । ননস্টিকি আবশ্যক । মাংস নিশ্চিন্তে সেদ্ধ দিতে ননস্টিকি দিয়াই রান্না করা উচিত । অভাবে স্টিকি স্টিলের হাড়ি দিয়াও কাজ চলবো । তয় সাবধান । একবার মাংস পুড়লে বিরিয়ানি রান্নার ঐখানে সমাপ্তি দিয়া দিতে হইবো ।

২. রাইস কুকার । বড়গুলা । এক কেজী চাল যেকানে নিশ্চিন্তে রান্না করা যায় ।

৩. বাসমতি চাল । কমদামিগুলার মইধ্যে লায়লাটা ভালো । বেশী দামি অনেক আছে । যেইটা ইচ্ছা আপনার ।

৪. বিরিয়ানি মশলা, শানের মসলা সবচেয়ে ভালো । রাধুনিরটা সবচেয়ে খারাপ । শানের নরমাল বিরিয়ানি মশলাই চলে । বম্বেরটা মাঝামাঝি । তবে বেস্ট আউটপুটের জন্য সিন্ধি বিরিয়ানির মসলা দেয়া উচিত । বিরিয়ানির মসলা লাগবে দেড় প্যাকেট । তিনপ্যাকেট একবারে কিনবেন । বাকীটা পরের বার ব্যবহার্য ।

৫. গরুর মাংস । সবচেয়ে কমদামিটা না কিনা একটু ভালো কোয়ালিটির চর্বি ছাড়া মাংস ১.৫ কেজি । মাংস আমি ভালো কৈরা টুকরা করি । পারলে এক কিউবিক সেন্টিমিটার সাইজ । এতে মশলা ভালো ঢোকে । তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয় মাংস ।

৬. তেল, রসুন, আদা, টমোটো, পিয়াজ, লবন – রসুন আদা দিবেন নরমাল গরুর মাংসে যেকরম দেয় সেরকম । টমোটো দুইটা ।

৭. ঘি আর কেওড়া জল – আবশ্যিক । মাখন দিয়া ফাকিবাজির রান্নার চিন্তা থাকলে বিরিয়ানি খাবার চিন্তাই বাদ দেয়া উচিত ।

৮. অল্প কিছু গরম মসলা ।

এইসব যোগাড়যন্ত্র কৈরা রান্নায় বসেন । রান্নার তিনটা অংশ । প্রথমটা মাংস । দ্বিতীয়টা ভাত তৃতীয়টা ভাত ও মাংসের মিক্স ।

প্রথম অংশ
মাংস রান্না করতে চুলা গরম দিয়া হাড়ি চড়ায় দেন । ব্লেন্ডার মেশিনে পেয়াজ রসুন আদা গুড়া কৈরা পেস্ট কৈরা ফালান । মেশিন না থাকলে আদা রসুন কুচি দিতারেন । হাড়িতে তেল ঢাইলা ঠান্ডা তেলেই পেস্ট ছাইড়া দেন । অল্প লবন দিতারেন পিয়াজ গইলা পানি বাইরানোর লাইগা । তয় বেশী দিয়েন না । শান মসলাতে লবন দেয়াই থাকে । বেশী লবন দিলে পরে খাইতে অসুবিধা । সাথে গরম মশলা অপশনাল । দিলেও হয় না দিলেও হয় । গরম মশলা শানের মসলার সাথেই থাকে ।
বইগুলাতে দেখবেন লেখা থাকে পেয়াজ পুইড়া বাদামী হৈলে তারপর নেক্সট স্টেপে যাইতে । দরকার দেখি না কোন । পেস্ট গরম হৈয়া একটু পানি বের হইলেই শানের পুরা এক প্যাকেট মশলা ঢাইলা দেন ।
একটু নাড়া চড়া দিয়া এক কাপের মতো পানি ঢাইলা আদা রসুন পেয়াজের পেস্ট আর মশলা ভালো কৈরা মিক্স করেন । থকথকে একটা ঝোল হৈলে মাংস ঢাইলা দেন । ভালো করে ঘুটা দিয়ে সব মাংসে মশলাটা মিশায় হাড়ি ঢাইকা দেন ।
মিনিট পনের পরে টমেটো টুকরা টুকরা কৈরা দিয়া দেন মাংসে ।
মাংস সিদ্ধ হইলে ঢাকনিটা উঠায়া ভালো কৈরা নাড়ানাড়ি দিয়া ঝোল কমায় ফেলবেন । ঝোল ততখানিই রাখবেন যতটুকুতে আপনার মনে হয় ১ কেজি চালের ভাত মাখানো যাবে । একটু বেশি রাখলে ভালোই । খাবার সময় পিরিচে কৈরা সামনে দিবেন । কিছু পাবলিক অতিরিক্ত ঝোল ঝোল পছন্দ করে ।
আরেকটা কথা, বিরিয়ানি মশলার একটি অসুবিধা হৈলো যতই মাংস জ্বাল হবে ততোই এর গন্ধ কমতে থাকবে । সেইজন্য ঝোল কমানোর আগে বাকি আধা প্যাকেট মশলা ঢাইলা তারপর নাড়ানাড়ি শুরু করবেন । দেখবেন গন্ধে পুরা সেইরম একটা মৌ মৌ আবহ তৈরী হবে ।

দ্বিতীয় অংশ
ভাত রান্নার জন্য রাইস কুকারে ঘি দেন । তারপর একটা কাগজের টুকরা রাইস কুকারের বাটনের ওপরে গুইজা দেন যাতে করে সে ওয়ার্ম মোডে না চইলা যায় । ঘি গরম হৈলে তার ওপর গরম মশলা দেন অল্প পরিমানে । অল্প কিছু আদা রসুনের পেস্টও দিতারেন । (আমি দেইনা ) ঘি গরম হওনের সময় জলদি কৈরা চাইল ধুইয়া ফালান । পানি ঝরায় ফেলেন সাথে সাথে । এইখানে চাইল ধুয়ার টাইমিং খিয়াল কৈরা । বাসমতি চাইল একটু বেশিক্ষন ভিজা থাকলে চাইল ভাইঙ্গা যাবার সম্ভাবনা । না ভাঙলেও পানি খায়া চাইল ফুইলা যাইবো । এতে পরে পানির হিসাবে গাঞ্জামের সমূহ সম্ভাবনা । অতএব ঘি গরম দিয়াই তারপর চাইল ধুইবেন । নো হাঙ্কি পাঙ্কি । ঘি আর গরম মশলা গরম হৈয়া যখন একটা মিক্সড গন্ধ নাকে পাইবেন তখন চাইল ঢাইলা একটু নাড়াচড়া দিবেন যাতে কৈরা ঘি পুরা চাইলের সাথে লাগে । এরপর যেই কয়কাপ চাইল দিছেন (এক কেজিতে সাধারনত ৮ কাপ হয়) সেই কয়কাপ পানি দিবেন । এতে চাইলটা একটু শক্ত শক্ত থাকবে । আপনে ল্যাটকা খিচুড়ি বানাইতেছেন না যার লাইগ্গা চাইল নরম হৈতে হবে । খিয়াল কৈরা ।
ভাত হৈয়া গেলে রাইস কুকারের ঢাকনিটা একটু চাগা দিয়া যথেষ্ট পরিমান কেওড়া জল ঢাইলা দিবেন । তারপর ঢাকনি আবার চাইপা কিছুক্ষণ রাখবেন ।

তৃতীয় অংশ
আপনার ভাত মসলা দুইটাই যখন হয়া যাইবো তখন একটা বড় গামলায় ভাত মাংস দুইটাই মিশাবেন । তারপর গামলার ওপরটা প্লাস্টিক মাইরা টেপ দিয়া সিল কৈরা দিবেন । এইভাবে সিল করা অবস্থায় ঘন্টাখানেক রাইখা দিবেন । ভুলেও মুখ খুলবেন না । রান্না করার সময় আশে পাশে অলওয়েজ কিছু টেস্টার পুলাপান পাওয়া যায় । তাগো থিকা সাবধান । ভুলেও ঐদিকে নজর যাতে না দেয় সেইটা নিশ্চিত করবেন ।

ঘন্টাখানেক রাখনের পর গামলার মুখ খুইলা পরিবেশন করবেন । সাথে বোরহানি, সালাদ দিতারেন ।

আর রান্নার পরিমানটা এমনভাবে করবেন যাতে পরদিন সকালের জন্য কিছু থাকে । বাসি বিরিয়ানির মাজেজাই আলাদা ।

গুটেন আপেটিট ।

সবজি তাজা রাখবেন যেভাবে

 “স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice Of Bangladesh)

একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম             প্রকাশ -বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৩

 

আমরা প্রায়ই সারা সপ্তাহের বাজার একসাথে করে রাখি। সেক্ষেত্রে দেখা যায় সপ্তাহের শেষ দিনগুলোতে সবজি আর তাজা থাকছে না। সবজি তাজা রাখতে জেনে নিন বিশেষ কিছু টিপস। লিখেছেন তামান্না শারমীন

 

০০ লেটুস, পালং শাক, সেলেরির মতো সবুজ সবজি পরিষ্কার করে ধুয়ে পোর্সেলিনের কন্টেনারে ভরে ফ্রিজে স্টোর করুন। একসপ্তাহের মতো ফ্রেশ থাকবে।

০০ লেটুস পাতার তাজা ভাব বজায় রাখার জন্য ধোয়ার সময় পানির মধ্যে অল্প লেবুর রস মিশিয়ে নিন।

০০ লেবু বেশিদিন তাজা রাখতে চাইলে লবণের কৌটার মধ্যে রাখুন।

০০ বাঁধাকপি, মটরশুঁটি, পালংশাকের মতো সবুজ সবজির ফ্লেভার বজায় রাখার জন্য রান্নার সময় আধা চামচ চিনি মেশান। রান্নার শেষের দিকে লবণ মিশিয়ে নিন।

০০ গোটা ফুলকপি রান্না করার সময় অর্ধেক লেবু ফুলকপির উপরের অংশে ঘষে নিন, কপির মাঝখানে ছুরি দিয়ে কোণাকুণি কেটে দিন, সহজে সিদ্ধ হবে।

০০ শশা কাটার একঘণ্টা আগে লবণ-পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সালাদ ড্রেসিং সহজে শশার মধ্যে অ্যাবজর্ব করবে।

০০ বাঁধাকপি ও ফুলকপির সতেজ ভাব বজায় রাখার জন্য রান্নার সময় এক চা-চামচ লেবুর রস মেশান। সবজির সুন্দর সাদা রং অক্ষুণ্ন থাকবে।

০০ যে দিন রান্নায় রসুন ব্যবহার করবেন তার একদিন আগে রসুনের কোয়া আলাদা করে নিয়ে বোতলে ভরে ফ্রিজে রাখুন, পরের দিন সহজে রসুন ছাড়িয়ে নিতে পারবেন। একসঙ্গে অনেক রসুন পেস্ট করতে চাইলে আগের দিন রাতে রসুনের কোয়াগুলো পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন আলাদা করে রসুনের খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে না।

০০ রসুনের কোয়ার উপর সামান্য তেল ঘষে রোদে শুকনো করে নিন। সহজে রসুনের খোসা ছাড়িয়ে নিতে পারবেন।

০০ কাঁচামরিচের বোঁটা ছাড়িয়ে নিতে মাঝখানে সামান্য চিরে রাখুন, তারপর এতে লবণ-হলুদ মেখে রোদে শুকিয়ে নিয়ে স্টোর করুন। বেশিদিন তাজা থাকবে।

০০ মুলা রান্না করার আগে পাতলা করে মুলার খোসা ছাড়িয়ে নিন। মুলার গন্ধ কমে যাবে।

০০ ব্রাউন পেপার ব্যাগে টমেটো স্টোর করুন, ভালো থাকবে। একইভাবে মাশরুম স্টোর করতে পারেন।

০০ লেটুসের মতো সবুজ শাক-সবজি পাতাসহ প্লাস্টিকের ব্যাগে স্টোর করুন। সঙ্গে ভিজা পেপার টাওয়েল রাখুন। সবজির অতিরিক্ত ময়েশ্চার অ্যাবজর্ব করে সবজি তাজা রাখতে সাহায্য করবে। জিপ লক ব্যাগেও সবজি স্টোর করতে পারেন, এতে তাজা থাকবে।

০০ আলু বেশি দিন ভালো রাখার জন্য আলুর সঙ্গে ব্যাগে ভরে একটা আপেল রাখুন। আলু সহজে পচে যাবে না।

০০ পেয়াজ, বেগুন, স্কোয়াশের মতো সবজি ফ্রিজের বাইরে রাখুন। ভালো থাকবে, ফ্রিজের বাইরে পরিষ্কারে কন্টেনারে স্টোর করুন।

০০ টমেটো ফ্রিজে পলিথিন প্যাকে স্টোর করবেন না। বাইরে স্টোর করতে পারেন। ভালো থাকবে।

০০ কাঁচামরিচের বোঁটা ছাড়িয়ে রাখুন। আদা ফ্রিজে রাখতে পারেন। বেশিদিন তাজা থাকবে।

০০ ফুলকপি ছোট ছোট করে কেটে এয়ারটাইট প্যাকে ভরে ফ্রিজে রাখতে পারেন।

০০ ক্যাপসিকাম অর্ধেক কেটে ফেলে না রাখতে পারলেই ভালো। তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

০০ গাজর ফ্রিজের বাইরে বেশিদিন ফেলে রাখবেন না।

০০ ফ্রিজে ভেজিটেবল স্টোর করার গাইডলাইন ভালো করে জেনে নিন। যেমন লেটুস, পেয়াজ, পালংশাক লো-হিউমিডিটি রয়েছে এমন ড্রয়ারে রাখতে হবে। আবার ফুলকপি, সেলেরি ত্রিস্তার ড্রয়ারে রাখতে পারেন।

 

 

 


শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                   www.googleplus.com  

 

Email us -
[email protected]  (Only For news)  [email protected] (To Editor)

 

ফেসবুক থেকে জানুন সর্বশেষ সংবাদ - "স্বদেশবার্তা ডটকম "(The Voice Of Bangladesh)

"স্বদেশবার্তা ডটকম "এপ্রকাশিত কোনো তথ্য, ছবি, অথবা অন্য যেকোনো উপাদান বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অন্য কোনো সাইটে প্রকাশ অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচার করা বাংলাদেশ কপিরাইট আইনানুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে গবেষণামূলক কাজে এই সাইটের তথ্য প্রদর্শন করা যেতে পারে, সেক্ষেত্রে সূত্র উল্লেখ করতে হবে।

স্বদেশবার্তা ডটকম এর পক্ষে

লায়ন রাজীব চৌধুরী

প্রধান সম্পাদক মানবাধিকার কর্মী

এবং

সম্পাদক ,প্রকাশক মানবাধিকার কর্মী - এম..হাবিব জুয়েল

 

রাজধানীতে কিশোরীকে ধর্ষন,প্রস্রাব পানে বাধ্য-

“স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice Of Bangladesh)

একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম            

প্রকাশ -বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৩

 ঢাকায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হননি আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমির এপিএস কাজল মোল্লা। ওই কিশোরীকে দুই মাস ধরে বাথরুমে আটকে রেখে প্রস্রাব পর্যন্ত পান করতে বাধ্য করেছেন কাজল মোল্লা ও তার স্ত্রী।

মিরপুরের বাসায় কাজল তার গৃহপরিচারিকা ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। আর এ ঘটনা কিশোরী কাজলের স্ত্রীকে জানানোর পরেই তার ওপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতনের খড়্গ।

                                                              রোববার চ্যাঞ্চলকর এই খবর প্রকাশ করেছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল ২৪’। টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই কিশোরীকে ধর্ষণ, গরম তেলে হাত-পা ঝলসে দেয়া, শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গ থেঁতলে দেয়া ছাড়াও তাকে বাথরুমে আটকে রেখে প্রস্রাব খেতে বাধ্য করা হয়েছে।

কিশোরী টিভি চ্যানেলটিকে বলেন, ‘একদিন খুব খারাপ লাগছিল। আমি আন্টির (কাজল মোল্লার স্ত্রী) কাছে পানি চাই। এরপর তিনি প্রস্রাব করে তা এনে আমাকে খেতে বাধ্য করেন।’

এখানেই থেমে থাকেননি কাজল মোল্যা ও তার স্ত্রী। গরম তেল দিয়ে তার হাত ও পা ঝলসে দেয়া হয়। কিশোরী জানান, ‘গরম তেলে হাত ও পায়ে ফোঁসকা পড়ে। কিন্তু চিকিৎসা না করে আমাকে দিয়ে ঘর মোছা থেকে কাপড় ধুইতে বাধ্য করে।’

 

কিশোরী আরও বলেন, ‘রাতে আমাকে ঘরে শুইতে দিত না। বাথরুমেই রাত কাটাতাম।’ উল্লেখ্য, সিমিন হোসেন রিমি মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের কন্যা। রিমি গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরআগে এই আসনে তার ভাই তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ জয়ী হয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু সরকারের সাথে মতপার্থক্যের জেরে তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

নির্যাতিতা কিশোরীর বাড়িও গাজীপুরে। কাপাসিয়া উপজেলার বড়টেক গ্রামের দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান কিশোরীকে গৃহপরিচারিকা করে মিরপুরের বাসায় আনেন রিমির এপিএস কাজল মোল্যা।

এরপর তাকে দিয়ে কাজল লালসা মেটাতে থাকেন। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী এ ঘটনা কাজলের স্ত্রীকে জানালে তার ওপর উল্টো আরও নির্যাতনের খড়্গ নেমে আসে।

কিশোরী বলেন, ‘স্যার একদিন আমাকে মোটা রডের পাইপ দিয়ে মারতে থাকেন। এ সময় আমি আনটির পা জড়িয়ে ধরে কাকুতি-মিনতি করি। তারা তখন আমার হাত-পা বেঁধে পেটাতে থাকে। এক পর্যায়ে এভাবেও তৃপ্তি না পেয়ে ফ্লোরে শুইয়ে পেটাতে থাকেন।’

এভাবে নির্যাতনে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে কয়েকদিন আগে রাতের আঁধারে কাপাসিয়ার বড়টেকের জঙ্গলে ফেলে রেখে আসে কাজল মোল্যার অনুগতরা। ঘটনা আড়াল করতে অনুগতদের দিয়ে ওই কিশোরীকে প্রথমে অপহরণ করা হয়। আর তার বাড়িতেও পাহারা বসান কাজল, যাতে অন্যরা বিষয়টি না জানতে পারে।

এরপরও লোকমুখে ঘটনা জানাজানি হলে কাজল মোল্যা ভয়ভীতি দেখিয়ে কিশোরীর কাছ থেকে মিথ্যে জবানবন্দি নেন।

এ বিষয়ে কিশোরী টিভি চ্যানেল-কে বলেন, ‘একদিন ওসি আসেন। আমি তাকে বলতে বাধ্য হয়েছি যে, আমার হাতে-পায়ে একজিমা হয়েছে। এটা চিকিৎসায় স্যারেরা আমাকে ক্রিম কিনে দিয়েছেন। চিকিৎসাও করিয়েছেন।’

তিনি আরও জানান, ‘এ সময় কাজল স্যারের লোকেরা আমাকে হুমকি দেন- যদি তুমি এ ঘটনা তোমার মা-বাবাকে জানাও তাহলে তোমাকে গ্রাম ছাড়া করব।’

                                                              নির্যাতিতা কিশোরীর পিতা  “স্বদেশবার্তা ডটকম কে বলেন, ‘এ ঘটনায় তিনি থানায় গেলে পুলিশ কাজল মোল্যার নাম শুনে তাকে কোনো সহায়তা করেননি। উল্টো নানা রকম হয়রানি করেছেন।’

এখন কাজল মোল্যা ও তার অনুগতদের ভয়ে বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বন্দি জীবন-যাপন করছেন বলেও জানান নির্যাতিতার পিতা।

নির্যাতিতা ওই কিশোরী তার ওপর নির্যাতনের ঘটনায় কাজল মোল্যা ও তার পরিবারের সস্যদের বিচার দাবি করেছেন।

 

 
শেয়ার করুন- 

                        www.facebook.com               www.googleplus.com  

 

Email us -
[email protected]  (Only For news)  [email protected] (To Editor)

 

ফেসবুক থেকে জানুন সর্বশেষ সংবাদ - "স্বদেশবার্তা ডটকম "(The Voice Of Bangladesh)

পাখির সংসার রক্ষায় আদালতে মামলা!

“স্বদেশবার্তা ডটকম “(The Voice Of Bangladesh)

একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম             প্রকাশ -বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

একজোড়া পোষা পাখির মালিকানা এবং পাখি দুটোর একসাথে থাকা না থাকা নিয়ে তাদের মালিক দুই ব্যক্তির এক দ্বন্দ্ব আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।

ঢাকায় একজন ব্যবসায়ী একরাম সেলিম বিদেশ থেকে আনা ম্যাকাও প্রজাতির একটি পাখিকে তার এক বন্ধুর হেফাজতে দেওয়ার কয়েক বছর আবার ফেরত চাইতে গেলে এই দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

ততোদিনে সেই বন্ধু ড. আবদুল ওয়াদুদ – যিনি পাখিটির দেখাশোনা করছিলেন, তিনি আরেকটি ম্যাকাও পাখি কিনে তার সঙ্গী বানান এবং এই জোড়ার একটি বাচ্চাও হয়েছে।

ড. ওয়াদুদ এখন বলছেন, জোড়া ভাঙলে দুটি পাখিই চরম একাকীত্বের সঙ্কটে পড়বে, যা হবে নির্যাতনের সামিল।

পাখি দুটোকে একসাথে রাখার জন্য তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। নজিরবিহীন এই মামলার চূড়ান্ত রায় হবে বৃহস্পতিবার।

নাটকীয় এই ঘটনার শুরু আজ থেকে চার বছর আগে। ঢাকার ইস্কাটন এলাকার বাসিন্দা মি. সেলিম বাড়ি নির্মাণ সংক্রান্ত কিছু ঝামেলার কারণে তাদের পোষা একটি ম্যাকাও পাখি ড. ওয়াদুদের হেফাজতে দিয়ে আসেন।

মি. সেলিম জানান, সিঙ্গাপুর থেকে ১৯৯৭ সালে ছেলে একরাম সেলিমের জন্য পাখিটি কিনেছিলেন তিনি। তিনি বলেণ, ওইসময় বাসায় যথেষ্ট জায়গার সংকুলান না থাকায মি. ওয়াদুদের প্রস্তাবেই তার কাছে দিযে আসেন, কেননা আগে থেকেই তার আরো কিছু পোষা পাখি ছিল।

কিন্তু এবছর মি. সেলিম এবং তার ছেলে পাখিটি ফেরত চেয়ে না পেয়ে তারা কলাবাগান থানায় সাধারণ ডায়রি করেন।

অন্যদিকে এতদিন যিনি এই পাখির দেখভাল করেছেন- সেই পাখি বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত ড. ওয়াদুদের দাবি, ২০০৮ সাল থেকে এতোদিন তিনি এই পাখির যতœ নিয়েছেন, তার জন্য সঙ্গী খুঁজে এনেছেন, এর পেছনে শ্রম এবং অর্থ ব্যয় করেছেন, তার জন্য সহাযক পরিবেশ তৈরি করেছেন। ফলে পাখি দুটোকে নিজের হেফাজতে রাখার জন্য তিনিও পাল্টা জিডি করেন।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে তার তত্বাবধানেই প্রথমবার ম্যাকাও পাখি বাচ্চা দিয়েছে।

এরপর বিষয়টি আদালতে গড়ালে দুজনের তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত পাখি দুটোকে যার যার মালিকের কাছে বুঝিয়ে দিতে এ মাসের শুরুতে নির্দেশ দেন এবং সেই মোতাবেক পুলিশ মি. সেলিমের পাখিটিকে তাদের কাছে পৌছে দেয়।

তবে মি. ওয়াদুদের দাবি, দুটো পাখিকে আলাদা করায় তাদের সংসার ভেঙে গেছে। সেজন্য আবারও তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনামুল হক জানান, মি. ওয়াদুদ পুনরায় পাখি দুটোর একসাথে অবস্থানের জন্য নির্দেশনার আবেদন জানানোর পর আদালত আগামি ১০ জানুয়ারি দুইপক্ষকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং সেদিনই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারে বেশ দামি প্রজাতির এই পাখি দুটোর গন্তব্য এখন কি হবে, তারা কি বিচ্ছিন্নভাবে যার যার মালিকের কাছেই থাকবে, নাকি একসাথে নির্দিষ্ট কারও হেফাজতে থাকবে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও দুদিন।

 


শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                   www.googleplus.com  

 

Email us -
[email protected]  (Only For news)  [email protected] (To Editor)

 

ফেসবুক থেকে জানুন সর্বশেষ সংবাদ - "স্বদেশবার্তা ডটকম "(The Voice Of Bangladesh)





"বাচ্চু রাজাকারের মৃত্যুদণ্ড
"
মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের মৃত্যুদণ্ডের খবরটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে এসেছে। বিবিসি, ওয়াশিংটন পোস্ট, ফক্স নিউজ, পাকিস্তানের ডন, জিও টিভি, ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভিসহ বেশিরভাগ গণমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।

“স্বদেশবার্তা ডটকম “

(The Voice Of Bangladesh)
“একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ‘ প্রকাশ –   22জানুয়ারি ২০১৩
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে পলাতক আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল-২। সোমবার সকাল পৌনে ১১টার দিক থেকে তার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে রায় পড়া শুরু হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে এটিই প্রথম রায়।

এদিকে, রায় ঘোষণার পর যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুত বলে জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান।

বাচ্চুর বিরুদ্ধে গঠন করা ৮টি অভিযোগের ৭টি প্রমাণিত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনা ৮টি অভিযোহ সমর্থন করে এ মামলায় ২২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এরমধ্যে ১৭ জনই প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী। তাই অভিযোগ প্রমাণে কোনো ঘাটতি নেই বলে দাবি করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, আসামি পলাতক থাকলেও রায়ের ওপর ভিত্তি করেই তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে সরকার।

গত রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার একেএম নাসিরউদ্দিন মাহমুদ এক সংবাদ সম্মেলনে রায় ঘোষণার এ দিনের কথা জানান।

উল্লেখ্য, গতবছর ২০১১ সালের ১০ এপ্রিল অভিযুক্ত বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত চলাকালেই বাধা সৃষ্টির অভিযোগে ২০১২ সালের ৩ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। এর আগেই পালিয়ে যান তিনি।

একবছরের বেশি সময় তদন্ত শেষে ২৬ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে তদন্ত সংস্থা। এরপর ২ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় রাষ্ট্রপক্ষ।

বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে ১০টি ঘটনায় ২২ ধরনের অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। তারপর জারি হয় হুলিয়া।

গতবছর ৭ অক্টোবর বাচ্চুর অনুপস্থিতিতেই ট্রাইব্যুনাল বিচার শুরুর আদেশ দেয়। ২১ অক্টোবর থেকে অভিযোগ গঠনের শুনানি শুরু হয়। ৪ নভেম্বর ১০ ধরনের অপরাধের ৮টি ঘটনায় বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

এরপর ২৪ নভেম্বর থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ২৬ ডিসেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান রাখে ট্রাইব্যুনাল। সবশেষ সোমবার এ রায় হতে যাচ্ছে।


এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন-
সবার আগে সব খবর জানতেস্বদেশ বার্তার সাথেই থাকুন

Email us -
[email protected]  (Only For news)  [email protected] (To Editor)






মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো -
ঢাকা-বরিশালে দ্বিতীয় দিনের মতো নিবন্ধন চলছে

“স্বদেশবার্তা ডটকম “
(The Voice Of Bangladesh)
“একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ‘ প্রকাশ – সোমবার, ১৪ জানুয়ারি ২০১৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-
সরকারি ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সোমবার ঢাকা ও বরিশাল বিভাগে দ্বিতীয় দিনের মতো নিবন্ধন চলছে। সকাল থেকেই ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্রে ভিড় করেন মালয়েশিয়া যেতে আগ্রহীরা।
আমাদের সাভার প্রতিনিধি জানিয়েছেন, উপজেলার ধামসোনা ইউনিয়নে নিবন্ধনে আগ্রহীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। তবে ইন্টারনেটে গতি না থাকায় লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের।
ময়মনসিংহ সদরের চরাঞ্চলের কয়েকটি ইউনিয়নে সোমবার দুপুর পর্যন্ত নিবন্ধন করতে পারেনি এলাকাবাসী। খাগদহর ইউনিয়নে দুই দিনে মাত্র ১৭ জন আগ্রহী নিবন্ধন করতে পেরেছেন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকার মানুষ।
তবে টাঙ্গাইলের কেন্দ্রগুলোতো কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, বরিশালের বিভিন্ন ইউনিয়নেও সার্ভারে জটিলতার কারণে নিবন্ধন কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নিবন্ধনে আগ্রহী ভোলার যুবকরাও।
এছাড়া, ফরিদপুর, রাজবাড়ি নারায়ণগঞ্জ ও বরগুনাসহ বেশিরভাগ জেলায় স্বাভাবিকভাবে চলছে নিবন্ধন কার্যক্রম।


শেয়ার করুন- http://www.facebook.com http://www.googleplus.com

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন-
সবার আগে সব খবর জানতে “স্বদেশ বার্তার সাথেই থাকুন ।

 

  মানবতাবিরোধী অপরাধ বাচ্চু রাজাকারের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে

"স্বদেশবার্তা ডটকম "

                                                  (The Voice Of Bangladesh)                                                                      সর্বশেষ সংবাদ

"একটি অনলাইনভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম '            প্রকাশসোমবার, ১৪ জানুয়ারি ২০১৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-
স্বাধীনতার ৪১ বছর পর মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার শুরুর প্রায় ৩ বছরের মাথায় একটি মামলার রায় হতে যাচ্ছে। ৭১ সালে ফরিদপুরের আল-বদর কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের মামলার সকল বিচারিক কার্যক্রম শেষে এ মামলার রায় প্রস্তুত হচ্ছে। আগামী সপ্তাহেই এ রায় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের ৮টি অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরে প্রথমে স্বেচ্ছাসেবক রাজাকার, পরে রাজাকার কমান্ডার ও সবশেষ আল-বদর প্রধান হন আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার। স্বাধীনতার পর কয়েকবছর পলাতক থাকেন তিনি। তারপর রাজনীতিতে পুনর্বাসিত হয়ে বনে যান ধর্মবিশ্লেষক আর সমাজসেবী। পাঁচটি এনজিওর মালিকও এই বাচ্চু।

স্বাধীনতার ৪০ বছরের কোঠায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হলে বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়। ওই অবস্থায়ই তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর আগেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান বাচ্চু রাজাকার। তার বিরুদ্ধে ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ১০ ধরনের অপরাধের ৮টি ঘটনা নিয়ে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল।

৭ অক্টোবর তার অনুপস্থিতিতেই বিচার শুরু হয়, তার পক্ষে আইনজীবীও নিয়োগ দেয় রাষ্ট্র। এ মামলায় তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন ২২ জন। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, এতে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে অভিযুক্তের।

গত ২৬ ডিসেম্বর মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে যেকোনো সময় এ রায় হতে পারে বলে আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষ আশা করছে, আগামী সপ্তাহেই এ রায় পাওয়া যাবে।

মামলার আসামি আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার পলাতক থাকায় অভিযোগ গঠনের মাত্র দেড় মাসের মাথায় এর বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। আর অভিযুক্তর আইনজীবীও ট্রাইব্যুনালে একটির বেশি আবেদন দেননি, কোনো সাক্ষীও তার পক্ষে সাক্ষ্য দেননি।

 

শেয়ার করুন-                   www.facebook.com                               

                             www.googleplus.com

 

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন-
সবার আগে সব খবর জানতেস্বদেশ বার্তার সাথেই থাকুন

Email us -
[email protected]  (Only For news)  [email protected] (To Editor)


N.B-এই সাইটে প্রকাশিত কোনো তথ্য, ছবি, অথবা অন্য যেকোনো উপাদান বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অন্য কোনো সাইটে প্রকাশ অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচার করা বাংলাদেশ কপিরাইট আইনানুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে গবেষণামূলক কাজে এই সাইটের তথ্য প্রদর্শন করা যেতে পারে, সেক্ষেত্রে সূত্র উল্লেখ করতে হবে।


ক্রাইম ওয়াচ ইন রাজশাহী

শানিত্মর নীড়ে অশানিত্ম কেন ?

 

চীফ রিপোর্টার -রাজশাহীর নগরীর ভদ্রা আবাসিক এলাকায় মাদকাসক্তি পূর্নবাসন কেন্দ্র “শানিত্মর নীড়” এখন মাদকেরই অন্যতম আখড়া। সরেজমিন তদনেত্ম জানা যায়, আনুঃ ১০ বছর পূর্বে এই প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরম্ন করে। এই যাত্রা ছিল অত্যনত্ম আশা ব্যাজক। কেননা মাদকাসক্ত ছেলে বা মেয়েকে মাদকমুক্ত করাই এই “শানিত্মর নীড়” এর উদ্দেশ্য। কিন্তু এই কেন্দ্রের প্রধান পরিচালক ফয়েজ ও সহ-পরিচালক জিন্নু এবং স্থানীয় রাসেল নামের ব্যক্তি বর্গের লড়্গ্য উদ্দেশ্য এখন মাদকসক্তি নিরাময় নয় বরং এই মাদকাসক্ত পূর্নবাসনের অজুহাত দিয়ে রাজশাহী মহানগর তথা আশে-পাশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত মাদকাসক্ত ব্যক্তিদেরকে নিরাময়ের কথা বলে অভিভাবকের কাছ থেকে লড়্গ লড়্গ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় এখন মূল উদ্দেশ্যে রূপানত্মরীত হয়েছে। সম্প্রতি রাজশাহী সাহেব বাজার এলাকার জনৈক ব্যক্তি মাদকে আসক্ত হয়ে পড়লে তিনি নিজেই এই রিহ্যাব সেন্টারে ভর্তি হন। ভর্তির সময় সেন্টার কর্তৃপড়্গ তার কাছ থেকে তিন মাসের জন্য ১৫,০০০ (পনের হাজার টাকা) ও অতিরিক্ত নাসত্মা দেওয়ার প্রতিশ্রূতি দিয়ে আরও ৩০০০ (তিন হাজার টাকা) অগ্রিম নেয়। কিন্ গত ৪.০৬.২০১২ ইং তারিখের অর্থ্যৎ এক মাসের মাথায় ঐ ব্যক্তি বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধানত্ম নিলে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ফয়েজ উদ্দীন ওরফে ফয়েজ সহ-পরিচালক জিন্নু ও ম্যানেজার রাসেল বাকি দুই মাসের ১২,০০০ (বার হাজার টাকা) দিতে A¯^xK…wZ জানায়। পরবর্তীতে মানবাধিকর সংস্থার হসত্মড়্গেপের কারনে শানিত্ম নীড় কর্তৃপড়্গ বাকি ১২,০০০ (বার হাজার টাকা) দিতে বাধ্য হয়।

 

অনুসন্ধানে আরও জানা যায় ঐ সেন্টারে দুই থেকে তিন জন হাদীর মোড় এলাকার বেতনভ্থক্ত কর্মচারীদের দীর্ঘ তিন মাস ১৬-১৭ ঘন্টা কাজ করিয়েও তাদেরকে বেতন-ভাতা এখন পর্যনত্ম প্রদান করা হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কর্মচারীদের কাছ থেকে ঐ মাদকাসক্ত পূর্নবাসন কেন্দ্রের বিভিন্ন চঞ্চল্যকর তথ্য ও বের হয়ে আসবে বলে সচেতমহল ধারনা করছে। গত ১৬.০৮.২০১২ ইং তারিখে আনুমানিক বিকাল পাচটার সময় ঐ দুই কর্মচারী তাদের নায্য পাওনা পাওয়া জন্য শানিত্মর নীড় কর্তৃপড়্গের কাছে যায়। কিন্তু পরিচালক,সহ-পরিচালক ও ম্যানেজার ঐ দুই কর্মচারীকে সন্ত্রাসী দ্বারা ভয়-ভীতি দেখালে তারা প্রানের ভয়ে রাজশাহী বোয়ালিয়ার মডেল থানার শরনাপন্ন হয়।

 

উক্ত বিষয়টি ঈদ-উল-ফিতর উপলড়্গে স্থগিত থাকলেও আনত্মর্জাতিক মানবধিকার প্রতিরড়্গা ও বার্তা সংস্থার কর্মীদের উদ্যোগে বিষয়টি পূনরায় উত্থাপিত হয় এবং গত ২৬.০৮.২০১২ ইং তারিখে ঐ প্রতিষ্ঠানের বিরম্নদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।

 

এ বিষয়ে রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার ওসি মোকর্‌রম হোসেন ¯^‡`k বার্তাকে  জানান বিষয়টি অভিযোগ রম্নপে নেওয়া হয়েছে এবং শীঘ্রই এর তদনেত্মর নির্দেশ এস .আই আয়নাল হককে প্রদান করা হয়েছে।

 

এখন প্রশ্ন হচ্ছে মাদকাসক্ত পূর্নবাসন এখনকি শুধূই বানিজ্য ?

 

চলমান .............................................................................

 

সম্পাদনা ঃ এম. এ হাবিব জুয়েল                                 বাংলাদেশ সময় রাত ১২ টা ৩০ মিঃ. তাং ২৭.০৮.২০১২







চন্দ্রবিজয়ী প্রথম মানব আর্মস্ট্রংয়ের জীবনাবসান

চীফ রিপোর্টার -যার একটি ‘ক্ষুদ্র’ পদক্ষেপ মানবজাতিকে পৌঁছে দিয়েছিল চাঁদের উচ্চতায়, সেই মার্কিন নভোচারী নেইল আর্মস্ট্রং আর নেই।

গত ৫ অগাস্ট ৮২তম জন্মদিন পালন করার ঠিক দুই দিনের মাথায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন আর্মস্টং।শনিবার তার পরিবারের বরাত দিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো জানায়, হৃদপিণ্ডে অস্ত্রোপচারের সেই ধকল আর তিনি সামলে উঠতে পারেননি।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসার অ্যাপোলো ১১ মিশনের অধিনায়ক হিসাবে ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই চাঁদের বুকে প্রথম মানুষের পদচিহ্ন এঁকে দেন আর্মস্ট্রং। সঙ্গী এডইউন অলড্রিনের সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টা তিনি চাঁদে বিচরণ করেন।

চাঁদে পা রাখার মুহূর্তকে তিনি বর্ণনা করেছেন মানুষের জন্য ‘একটি ছোট পদক্ষেপ’ কিন্তু মানবজাতির একটি ‘বিশাল অগ্রগতি’ হিসেবে।

ওই অভিযানে বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত মানুষ বনে যাওয়া নেইল আলডেন আর্মস্ট্রং ওহাইওতে ১৯৩০ সালের ৫ অগাস্ট জন্ম নেন।

বাবার সঙ্গে ছয় বছর বয়সে বিমানে ওড়া আর্মস্ট্রং ১৬ বছর বয়সেই তা চালানো শিখে ফেলেন। গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাওয়ার আগেই রপ্ত হয়ে যায় ‘ওড়ার’ কায়দা।

১৯৫০ এর দশকের শুরুতে কোরীয় যুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর ফাইটার জেট চালিয়েছেন তিনি। ১৯৫২ সালে সামরিক বাহিনী ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়ায় মন দেন এবং ১৯৬২ সালে যোগ দেন মার্কিন মহাশূন্য কর্মসূচিতে।

আর্মস্টংয়ের মহাকাশ অভিযানের শুরু ৩৫ বছর বয়সে। ১৯৬৬ সালের ১৬ মার্চ মহাশূন্যযান জেমিনি-৮ এ সেই অভিযানে তার সঙ্গী ছিলেন ডেভিড স্কট।

চন্দ্র অভিযানের পর বলতে গেলে নিভৃত জীবন কাটিয়েছেন তিনি। জনসম্মুখে এসেছেন কদাচিৎ।

অ্যাপোলো ১১ মিশনের পরের বছরই নাসা ছেড়ে দিয়ে সিনসিনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশলের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন অর্মস্ট্রং।স্ত্রী ক্যারলের সঙ্গে সিনসিনাটিতেই বসবাস করতেন তিনি।

গত নভেম্বরে আরো তিনজন নভোচারীর সঙ্গে আর্মস্ট্রংকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল দিয়ে সম্মানিত করা হয়।

এক সাক্ষাৎকারে নেইল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, “আমার বিশ্বাস, প্রত্যেক মানুষের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক হৃদস্পন্দন বরাদ্দ থাকে। আমি এর একটিও নষ্ট করতে চাই না।”

চন্দ্রবিজয়কে বলা হয় বিশ শতকে মানবজাতির সবচেয়ে বড় অর্জন। আর যার পায়ে ভর করে সে বিজয় এসেছিল. সেই আর্মস্ট্রংয়ের সঙ্গে এই পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া প্রতিটি শিশুর পরিচয় ঘটবে পাঠ্যবইয়ের পাতায়।

সম্পাদনা এম. হাবিব জুয়েল                                 বাংলাদেশ সময় রাত ১২ টা ৩০ মিঃ. তাং ২৭.০৮.২০১২











পুলিশ পুলিশের জন্য...

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

রাজশাহী: কথায় আছে, পুলিশ পারে না এমন কোনো কাজ নেই। তবে সে রকম কাজ করার উদাহরণ হরহামেশ‍া সৃষ্টি করে না তারা।আরও সহজ করে বলা যায়, যদি কাজটা জনগণের জন্য না হয়ে নিজের প্রয়োজনে হয় তখনই পুলিশ দেখিয়ে দেয় তারা কতোটা করিৎকর্মা।এই যেমন মঙ্গলবার রাজশাহী মহানগরীর এক পুলিশ কর্মকর্তার চুরি হয়ে যাওয়া একটি মোটরসাইকেল মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই উদ্ধার করেছে তারা। সেই সঙ্গে পাকড়াও করেছে দুই চোরকেও।
অথচ ৬ মাস আগে রাজশাহীর এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের চুরি হয়ে যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারে কোনো গরজ দেখাচ্ছে না পুলিশ।

পুলিশের এমন দ্বৈত ভূমিকা দেখে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে- জনগণের উপকার করার সদ্দিচ্ছা কবে হবে পুলিশের?
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মহানগরীর সোনাদিঘীর মোড় এলাকা থেকে রাজশাহী মহানগর পুলিশের বিশেষ শাখায় কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজ্জাকের মোটরসাইকেলটি চুরি হয়ে যায়।
সঙ্গে সঙ্গেই শহরজুড়ে বেতার বার্তায় পুলিশ এলার্ট। প্রায় ২০ মিনিটের মধ্যে অর্থাৎ ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে মহানগরীর বিনোদপুর এলাকা থেকে ওই মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে মহানগর থানা পুলিশ।
এ সময় চুরির দায়ে হাতেনাতে আটক করা হয় দুই মোটরসাইকেল চোরকেও। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত তাদের থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল।আটকরা হলেন- নাটোর সদর থানার জালালাবাদ কুঠিপাড়া গ্রামের অনিক হাসান ডালিম (২৬) ও লক্ষীপুর খামার পাড়া গ্রামের কামাল হোসেন বাবু (২০)।মহানগরীর মতিহার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাদিয়ার রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে জানান, মোটরসাইকেলটি বিশেষ শাখায় কর্মরত এসআই রাজ্জাকের।  তিনি বলেন, একই থানার এসআই হরেন্দ্র নাথ বিনোদপুর এলাকা থেকে হোন্ডা কোম্পানির (রাজ মেট্রো-ল-১১-৮৩৮০) মোটরসাইকেলটিসহ ওই দুই চোরকে আটক করেন। এদিকে, পুলিশ কর্মকর্তার মোটরসাইকেল চুরি ও কিছুক্ষণের মধ্যে তা উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় ভুক্তভোগীদের মধ্যে। তাৎক্ষণিকভাবে মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনাটি ইতিবাচক, তবে তা বাঁকা চোখেই দেখছেন সবাই।কারণ মহানগরীর চার থানায় অসংখ্য মোটরসাইকেল চুরির মামলা হলেও এমনভাবে উদ্ধারের নজির নেই। পুলিশের মোটরসাইকেল বলেই অসাধ্যকে সাধন করা হয়েছে মন্তব্য অনেকের।
মহানগরীর জেষ্ঠ্য সংবাদিক আফজাল হোসেন এক প্রতিক্রীয়ায় বলেন, গত ছয় মাস আগে তার টিভিসএস মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। এ ঘটনায় তিনি বোয়ালিয়া থানায় মামলাও দায়ের করেন।
কিন্তু রাজশাহী মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহল পর্যন্ত একাধিকবার তদবির করেও এখনও পর্যন্ত তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। একজন জেষ্ঠ্য সংবাদিকের ক্ষেত্রে যেখানে এমন, সেখানে সাধারণ মানুষের অবস্থা সহজেই অনুমেয়।
এ ব্যাপারে রাজশাহী মহানগর পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।         

এখন সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, পুলিশের কাছ থেকে এমন সেবা কি তারাও পেতে পারেননা?

m¤úv`K : Gg.G.nvwee Ry‡qj|

বাংলাদেশ সময়: ২১.৪৬ ঘন্টা, মার্চ ২৯, ২০১২